ছুঁলেই সঙ্গে সঙ্গে অবধারিত মৃত্যু! দুই বিষাক্ত পাখির প্রজাতির খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবী জুড়ে হিসাব করলে কয়েক হাজার প্রজাতির পাখির দেখা পাওয়া যায়। রংবেরঙের হাজারো রঙের পাখি ডালপালা মেলে মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়ায়। তাদের মধ্যে কিছু পাখিকে আমরা পোষও মানিয়েছি। তবে জানেন কি, এমন পাখিও রয়েছে যাদের ছুঁলেই মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
সম্প্রতি ডেনমার্কের গবেষকরা নতুন দুই প্রজাতির পাখি খুঁজে পেয়েছেন। যেগুলি সাধারণ পাখির মতো নয়। এই দুই প্রজাতির পাখি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এবং প্রাণঘাতী। এদের ছুঁলেই মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কারণ এদের পালকে নিউরো টক্সিনের মত ক্ষতিকর পদার্থ রয়েছে।

সম্প্রতি গবেষকেরা নিউ গিনির জঙ্গলে এমন দুই পাখির প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন। যেগুলি টক্সিক খাবার গ্রহণ করে তা থেকে বিষ উৎপাদন করতে পারে নিজেদের শরীরের মধ্যে। সবচেয়ে আশ্চর্যের হল, এই বিষ তাদের শরীরে সহ্য হয়ে গিয়েছে। এবং তা পালকে বা পাখনায় এসে জমা হয়।
সম্প্রতি ডেনমার্কের গবেষকদের একটি দল নিউ গিনি জঙ্গলে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে এই দুই প্রজাতির পাখি তাঁরা আবিষ্কার করেছেন। যে পাখিগুলি তাদের পালকে নিউরো টক্সিনের মত ক্ষতিকর বিষ জমা করতে পারে।
এই দুই প্রজাতির পাখির বৈজ্ঞানিক নাম হল প্যাশিসেফলা স্লেগেলি ও অ্যালিয়াড্রিয়াস রুফিনুচা। ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় এই ধরনের পাখির দেখা বেশি পাওয়া যায় বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকায় এক ধরনের ব্যাঙ পাওয়া যায়। যাদের শরীরে এই একই ধরনের বিষ মজুত থাকে। এই বিষ ছুঁয়ে ফেললে যে কোনও মানুষের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হতে পারে। অর্থাৎ এই দুই প্রজাতির পাখিকে ছুঁলেই মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন।
এই যে বিষ অর্থাৎ নিউরো টক্সিনের কথা বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন, তা মানুষের শরীরে গেলে সঙ্গে সঙ্গে মাংসপেশিতে টান ধরে এবং একইসঙ্গে হার্ট অ্যাটাক হয়। অর্থাৎ এমন পাখিকে বা পাখির পালক ছুঁলেই মৃত্যু অবধারিত।
এখন বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখছেন, কীভাবে এই দুই নতুন প্রজাতির পাখি এত ভয়ঙ্কর নিউরো টক্সিন নিজেদের শরীরে অথবা পালকে বহন করছে, অথচ তাদের শরীরের কোনও ক্ষতি হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications