স্বাধীনতা দিবসের সপ্তাহান্তে ঘুরে আসতে পারেন এই মনমুগ্ধকর জায়গাগুলি!
স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে কলকাতা থেকে কাছেই কয়েকটি জায়গায় যেতে পারলে কেমন হয়? যারা প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চান বা সমুদ্রের শান্ত পরিবেশে সময় কাটাতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এই স্থানগুলি দারুণ ডেস্টিনেশন হতে পারে। কলকাতার ব্যস্ততা থেকে দূরে সপ্তাহান্তের ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করলে এগুলো ভেবে দেখতে পারেন।
শিলিগুড়ি থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে এবং বৈকুণ্ঠপুর বনের পাশে অবস্থিত গজলডোবা পাখির ছবি তোলার জন্য বিখ্যাত। এটি তিস্তা অববাহিকায় নির্মিত প্রথম জলাধার, যার পশ্চিমে মহানন্দা নদী এবং পূর্বে তিস্তা নদী অবস্থিত। দক্ষিণ হিমালয়ের পাদদেশের তরাই বনভূমি দ্বারা পরিবেষ্টিত এই অঞ্চলের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। নিশ্চিন্তে উইকএন্ড কাটিয়ে আসতে পারেন এখানে। এখানে নানা প্রকারের গাছপালার পাশাপাশি অনেক পরিযায়ী পাখির প্রজাতি দেখা যায়। বাগডোগরা বিমানবন্দর এখান থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে এবং নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন প্রায় ২৮ কিমি দূরে অবস্থিত।

দিঘা থেকে প্রায় ৪০ কিমি এবং কলকাতা থেকে ১৪৫ কিমি দূরে অবস্থিত জুনপুট একটি পরিচিত পর্যটনস্থল। কাঁথি হয়ে গেলে একটি জাদুঘর এবং রাজ্য মৎস্য বিভাগের মৎস্যচাষ ইউনিট দেখা যাবে। দরিয়াপুর বাতিঘর এবং রসুলপুর নদী যেখানে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে, সেই ফিশিং হারবার ঘুরে দেখা যেতে পারে। দিঘা হল এর নিকটতম রেল স্টেশন।
বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সারান্ডা অভয়ারণ্য একসময় সরাইকেলার সিং দেও রাজপরিবারের ব্যক্তিগত শিকারের ক্ষেত্র ছিল। পশ্চিম সিংভূম জেলায় অবস্থিত এই এলাকা তার ঘন সাল বন এবং বিভিন্ন উদ্ভিদ সম্পদের মাধ্যমে একটি অসাধারণ বন্যপ্রাণীর অভিজ্ঞতা প্রদান করে। সারান্ডা, যার অর্থ "সাতশত পাহাড়", উড়িষ্যার কেওনঝড় জেলার নিকটবর্তী বনাঞ্চলের সাথে সংযোগ স্থাপনকারী হাতির করিডোর বরাবর অবস্থিত। এখানে এশিয়ান হাতি, বাইসন এবং চিতাবাঘের ঐতিহাসিক বাসস্থান রয়েছে, এমনকী এখানে বাঘও দেখা গেছে। এছাড়াও খরকাই নদীর তীরে অবস্থিত একটি শান্ত গ্রাম সরাইকেলা ঘুরে দেখতে পারেন। এটি ছৌ নৃত্যের জন্মস্থানগুলির মধ্যে অন্যতম, অন্যান্য স্থানগুলি হল পুরুলিয়া এবং ময়ূরভঞ্জ।
ওড়িশার দাড়িংবাড়ি পাইন বন এবং কফি, গোলমরিচ ও হলুদের বাগানের জন্য পরিচিত। এখানে পুটুদি, দোলুদি নদী এবং বেলঘর অভয়ারণ্যের মনোরম জলপ্রপাত রয়েছে, যেখানে বুনো দাঁতাল হাতি এবং নাকাতে উপজাতির বসবাস। ওড়িশার কাশ্মীর নামে পরিচিত দাড়িংবাড়ি সাংস্কৃতিক, উপজাতীয় এবং প্রকৃতি পর্যটনের এক মিশ্র অভিজ্ঞতা প্রদান করে। পর্যটকরা এখানে দাড়িংবাড়ি জলপ্রপাত, পুটুদি জলপ্রপাত, দাদু বাবা জলপ্রপাত এবং লুডু জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন জলপ্রপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications