হোলির রঙে রং মেলাতে বেড়িয়ে আসুন হদল নারায়ণপুরে, টেরাকোটার রাসমঞ্চ মুগ্ধ করবেই
কলকাতার কাছেই রয়েছে টেরাকোটারা রাসমঞ্চ বেড়িয়ে আসুন সপ্তাহান্তের ছুটিতে
হোলির ছুটিতে এবার একটু অন্যরকম জায়গা থেকে বেড়িয়ে আসুন। ঘরের কাছেই রয়েছে সেই জায়গা। বিষ্ণুপুর নয় তবে এখানে রয়েছে টেরাকোটার রাসমঞ্চ। কলকাতা থেকে যেতেও বেশি সময় লাগে না। একদিনের ছুটিতেই বেড়িয়ে আসা যায়। জায়গাটির নাম হদল নারায়ণপুর। একেবারেই অচেনা একটা নাম। পর্যটকদের ভিড় নেই বললেই চলে।

হোলির উৎসব
দোল পার হয়ে গিয়েছে। এবার হোলি। গোটা দেশ আগামীকাল হোলির উৎসবে মাতবে। রঙের উৎসবে ভিড় করেছেন সব একাধিক জায়গায়। কেউ গিয়েছেন দিঘা, কেউ শান্তিনিকেতন তো কেউ পুরুলিয়া। দোলের ছুটিতে শান্তিনিকেতন আর পুরুলিয়াই বাঙালির হট ফেবারিট জায়গা। অনেকে আবার নবদ্বীপ মায়াপুরেও যান। সেখানে দোলের উৎসব বড় করে হয়ে থাকে। সাত দিন ধরে মেলা বসে মায়াপুরে। এবার নাকি রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হয়েছিল মায়াপুরে। তবে একটু অন্যরকম জায়গায় যাঁরা বেড়াতে ভালবাসেন তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে হদল নারায়ণপুর।

হদল নারায়ণপুর
কলকাতার কাছেই রয়েছে এই হদল নারায়ণ পুর। অথচ অনেকেই তার নাম জানেন না। এই জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসম্ভ সুন্দর টেরাকোটার তৈরি একটি রাসমঞ্চ। রয়েছেটেরাকোটার মন্দির। বিষ্ণুপুরে যেমনটা দেখা মেলে এখানেও সেই টেরাকোটা শিল্প দেখা যায়। এখানে তৈরি টেরাকোটার শিল্পকর্ম। রামায়ণ মহাভারতের সব কাহিনী টেরাকোটা শিল্পীরা ফুটিয়ে তুলেছেন মন্দিরের গায়ে। রয়েছে রাধাকৃষ্ণের লীলার সব কাহিনী। মুগ্ধ হবেন দর্শকরা। এতটাই সুন্দর এখানকার রাসমঞ্চ।

কীভাবে যাবেন
হদল নারায়ণপুর যেতে হলে কলকাতা থেকে ট্রেনে অথবা বাসে আসতে হবে বিষ্ণুপুর। সেখান থেকে গাড়িতে হদলনারায়ণ পুর। বিষ্ণুপুর থেকে হদল নারায়ণপুরের দূরত্ব খুব বেশি নয়। ৪৯ কিলোমিটার মাত্র। বিষ্ণুপুর থেকে গাড়িতে খুব বেশিক্ষণ সময় লাগে না। হদল নারায়ণপুর দেখার সঙ্গে সঙ্গে দেখে আসতে পারেন বিষ্ণুপুরও। একঢিলে দুই পাখি মারা হয়ে যাবে এখানে এলে। বিষ্ণুপুর অবশ্য অনেকেই বেড়িয়েছেন কিন্তু হদল নারায়ণপুর খুব কম ব্যক্তিই দেখেছেন।

থাকার জায়গা
হদল নারায়ণ পুরে থাকার জায়গা তেমন নেই। এখানে দিনের বেলা বেড়িয়ে থাকতে হবে বিষ্ণুপুরে। আবার বাঁকুড়াতেও থাকতে পারেন। বাঁকুড়ার দূরত্ব খুব বেশি নয়। বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুরে একাধিক থাকার হোটেল, গেস্ট হাউস রয়েছে। নিজেদের পছন্দ মতো যেকোনও একটা জায়গায় থাকতে পারেন। ভাড়াও খুব বেশি না। হদল নারায়ণ পুর বেড়ানোর পাশাপাশি বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুরের যেকোনও জায়গা বেড়িয়ে আসতে পারেন।
ছবি সৌজন্য - ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications