Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সবুজে মোড়া জয়ন্তীর অপার রহস্যে লুকিয়ে ডুয়ার্সের এক টুকরো সৌন্দর্য্য

সবুজে মোড়া জয়ন্তীর অপার রহস্যে লুকিয়ে ডুয়ার্সের এক টুকরো সৌন্দর্য্য

করোনা ভাইরাসের আবহে একটু বেরিয়ে আসা যাক ভাবছেন যারা, তাদের জন্য আদর্শ হতে পরে জয়ন্তী। মৃয়মান এক নদীকে ঘিরে থাকা অরণ্য, সুদূর বিস্তৃত টি এস্টেট, আঁকাবাঁকা পথ যেন কোনও কল্প রাজ্য। শহুরে কোলাহলে মাখা পাওয়া না পাওয়ার হিসেব যেখানে অর্থহীন, সেই স্থানকে ডুয়ার্সের রানী বলে ভাবা হয়। পাহাড়ের কোলে জয়ন্তীর অপার রহস্যে লুকিয়ে ডুয়ার্সের এক টুকরো সৌন্দর্য্য দেখতে হলে ট্যুর প্ল্যান বানিয়ে ফেলুন এখনই।

অবস্থান

অবস্থান

আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে বক্সা জঙ্গলের ধার ঘেঁষা জয়ন্তীকে বলা হয় ডুয়ার্সের রানি। ভারত-ভূটান সীমান্তবর্তী পাহাড়ে ঘেরা জয়ন্তী নদীর ধারে এককালে কোনও গ্রাম ছিল বলে শোনা যায়। এখন তার অস্তিত্ব না থাকলেও রয়েছে অল্প বিস্তর চিহ্ন। প্রতিবেশী রহস্যে মোড়া গা ছমছমে বক্সা দুর্গ ও উদ্যান জয়ন্তীর সৌন্দর্য্যকে মাত্রাছাড়া করতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে ট্রেন কিংবা প্রাইভেট গাড়িতে আলিপুরদুয়ার কিংবা নিউ আলিপুরদুয়ারে পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে সড়কপথে পৌঁছে যাওয়া যায় জয়ন্তীকে। অনেকে বাসে সওয়ার হয়ে কলকাতা থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন। কেউ বিমানে বাগডোগরা নেমে সেখান থেকেও জয়ন্তী যাওয়ার গাড়ি ধরেন।

ডুয়ার্সের রানী

ডুয়ার্সের রানী

আলিপুরদুয়ার থেকে নাতিদূরে বক্সা জঙ্গলের ধার ঘেঁষা জয়ন্তীকে বলা হয় ডুয়ার্সের রানী। ভারত-ভূটান সীমান্তবর্তী পাহাড়ে ঘেরা জয়ন্তী নদীর ধারে এককালে কোনও গ্রাম ছিল বলে শোনা যায়। এখন তার অস্তিত্ব না থাকলেও রয়েছে অল্প বিস্তর চিহ্ন। গর্বের গতিপথ হারিয়েছে জয়ন্তী নদীও। তবু তার সৌন্দর্য্যে একফোঁটা ভাঁটা পড়েনি। পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা নুড়ি-পাথরের শুকনো নদীপথেই বিরাজমান অপার শান্তি। দুলতে দুলতে সেই পথ বেয়ে গাড়ি যেখানে থামে, সেখানে এখনও অবশিষ্ট জলের কিছু লেশ। দুদিকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তার একটি উঠেছে ছোট মহাকালের দিকে এবং অন্যটির গন্তব্য বড় মহাকাল মন্দির।

মহাকাল মন্দির

মহাকাল মন্দির

কাচের মতো স্বচ্ছ জল মাড়িয়ে ছোট মহাকাল মন্দির দর্শনের জন্য যে পথ পেরোতে, তা কম রহস্যে মোড়া নয়। চড়াই-উতরাইয়ে ভরা দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে বিপজ্জনক ভাবে খাড়া লোহার সিঁড়ি বেয়ে গন্তব্য যেখানে নিশ্চুপে দাঁড়িয়ে, সেখানে ছোট মন্দিরের কান ঘেঁষে নেমে আসা পাহাড়ি ঝরনা নীরবতা ভেঙে চলেছে অবিরাম। গাছ-গাছালি দিয়ে ঘেরা সেই স্থানে পাওয়া যায় মনের আরাম, আত্মার শান্তি। প্রায় ঘণ্টা খানেক সেখানেই কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে। পাহাড়ের অনেকটাই ওপরে দাঁড়িয়ে থাকা বড় মহাকাল মন্দিরের পথ আরও বেশি দুর্গম। ওখানে যেতে ট্রেকিংয়ের সরঞ্জাম থাকা আবশ্যক।

সবুজ বৈচিত্র

সবুজ বৈচিত্র

জয়ন্তী ও সংলগ্ন বক্সায় ৩০০টিরও বেশি প্রজাতির গাছ, ২৫০টি প্রজাতির গুল্ম, ৪০০টি প্রজাতির ওষধি, ৯টি প্রজাতির বেত, ১০টি প্রজাতির বাঁশ, ১৫০টি প্রজাতির অর্কিড, ১০০টি প্রজাতির ঘাস, ১৩০টি প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ দেখা যায়। যার শোভা মনোরম।

ছবি সৌ:ইউটিউব

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+