Travel: শিবরাত্রি থেকে বসে বিশাল মেলা, ঘুরে আসুন পাহাড়ি জঙ্গলে ঘেরা এই প্রাচীন শিব মন্দিরে
চারিদিকে ঘন জঙ্গল। মাঝে মধ্যে দেখা দিয়ে যায় সাক্ষাৎ মহাকাল। এতোটাই শান্ত এখানকার পরিবেশ যে নিজের পায়ের শব্দটাও শোনা যায়। জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে ছোট্ট একটা খোলা বা নদী। যার নাম টিপুখোলা। আর সেই নদীর নামেই জায়গাটির নাম হয়েছে টিপু খোলা।
শিলিগুড়ি শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এই অচেনা জায়গাটির অবস্থান। শিলিগুড়ি শহর পেরিয়ে যেতে হয় এই টিপুখোলায়। হাতি-ঝাঁকে ঝাঁকে ময়ুর ঘুরে বেড়ায় এই জঙ্গলে। হাতি যে প্রায়ই বেরিয়ে আসে এই জঙ্গলে সেকারণে বিদ্যুতের তার দিয়ে বেড়া করা থাকে।

শিলিগুড়ির বাসিন্দারা সপ্তাহান্তের ছুটিতে এই অফবিট লোকেশনে বেড়াতে আসেন। অনেকেই এখানে শীতকালে পিকনিক করতে আসেন। আবার অনেকে মাছ ধরতেও আসেন এই জঙ্গলে। টিপু খোলা নদীকে বেশ মাছ পাওয়া যায়। চারিপাশ এতোটাই শান্ত যে নিজের পায়ের শব্দটাও শুনতে পারবেন।
উত্তরবঙ্গে যাঁরা খুব বেশি দূরে যেতে চান না তাঁরা অনায়াসেই এখানে চলে আসতে পারেন। গাড়ি ভাড়া করেও আসতে পারেন আবার বাইকে করেও আসতে পারেন। বাইক রাইডিংটা বেশি রোমান্টিক হবে। চারপাশে জঙ্গল আর মাঝখান দিয়ে চলে দিয়েছে রাস্তা। হাতির দেখা পেলেও পেতে পারেন। এখানে এতোটাই হাতির আনাগোনা যে বিদ্যুতের তার দিয়ে বেড়া দেওয়া থাকে।
সন্ধে নামলেই টিপুখোলা নদীতে জল খেতে বেড়িয়ে পড়ে হাতির দল। কাজেই সন্ধে নামার আগেই এখান থেকে বেরিয়ে আসা ভালো। এখানে ছোট ছোট খাবার দোকানও রয়েছে। সেখানে মোমো থেকে শেল রুটি সবই পাওয়া যায়। কাজেই খাবার সঙ্গে না আনলেও কোনও চিন্তা নেই। এখানে অনায়াসে খাবার খেতে পাবেন।
আবার এই জঙ্গলে ঘেরা টিপুখোলার কাছেই রয়েছে জংলি বাবা শিব মন্দির। একেবারে জঙ্গলের মাঝে তার অবস্থান। চারপাশে শান্ত পরিবেশ। শিবরাত্রির সময় এখানে মেলা বসে। সেসময় বেশ ভিড় হয় এই মন্দিরে। আবার শ্রাবণ মাসেই পুন্যার্থীরা ভিড় করেন এই মন্দিরে। তাঁরা দলে দলে এসে শিবের মাথায় জল ঢালের। এক কথায় টিপুখোলায় এলে মন্দির দর্শনের পাশাপাশি জঙ্গলঘোরাও হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications