Travel: দিঘা-পুরী অনেক হল, এবার ঘুরে আসুন প্রতিবেশী রাজ্যের এই অফবিট লোকেশনে
বর্ষা মানেই সমুদ্র। যেখানে প্রাণভরে মজা নিয়ে পৌঁছে যান পর্যটকরা। এই সময় দিঘা পুরীর হোটেল ফাঁকা পাওয়া কঠিন। এমনকী আশপাশের মন্দারমনি, গোপালপুরেও জায়গা থাকে না একচিলতে। এতো পর্যটকের ভিড় এই সময় সমুদ্রের পাড়ে। সেই ভিড়ে না কাটিয়ে এক ঘেয়ে দিঘা মন্দারমনি এবার না হয় নাই গেলেন।
কলকাতার কাছেই রয়েছে এক অচেনা পরিবেশবান্ধব সমুদ্র সৈকত। সেখানে না হয় কটা দিন কাটিয়ে আসুন। সেটিও প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশােই তবে সেটি পুরী নয় ভুবনেশ্বরের কাছে। মানে ভুবনেশ্বর থেকে এক দিনেই ঘুরে আসা যায়। ভুবনেশ্বরের কাছে সেই সৈকতের নাম সোনাপুর সৈকত বা পাটি সোনাপুর সৈকত।

ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে যার দূরত্ব মাত্র কয়েক কিলোমিটার। বেরহামপুর থেকে এই জায়গার দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। চলতি বছরেই এই সৈকতটি ব্লু ফ্ল্যাগের তকমা পেয়েছে। ব্লু ফ্ল্যাগ কমা দেওয়া সৈকতের পরিবেশ-পরিচ্ছন্নতা দেখে। ডেনমার্কের ফাউন্ডেশন অব এনভায়ারমেন্টাল এডুকেশন এই তকমা দিয়ে থাকে।
পুরীর পর এটি ওড়িশার দ্বিতীয় সৈকত যেটি ব্লু ফ্ল্যাগ তকমা পেয়েছে। ওড়িশার গঞ্জাম জেলার মধ্যে পড়ে এই সৈকতটি। সোলার লাইটে আলোকিত হয় সৈকত। রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, ছোটোদের খেলার জায়গা, পার্ক, বিশেষভাবে সক্ষম পর্যটকদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন হবে না। এমন একটি সৈকতে কটা দিন ছুটি কাটিয়ে আসতে পারলে মন ভাল হয়ে যাবে।
যাঁদের মন সমুদ্রে যেতে চাইছে তাঁরা চলে আসুন এই জায়গায়। আগে থেকে অবশ্য এখানকার রিসর্টে বুকিংটা সেরে রাখবেন। নইলে থাকার জায়গা পাবেন না। সপ্তাহান্টের কটা দিন একটু পরিচ্ছন্ন সৈকতে কাটিয়ে গেলে কাজের নতুন উদ্যোম ফিরে পাবেন। আবার কলকাতা থকে বেশি দূরেও নয় জায়গাটি।












Click it and Unblock the Notifications