Travel: পাড়ায় পাড়ায় বালগোপালের মণ্ডপ, কলকাতা কাছেই দেখে আসুন অন্যরকম হোলি
আর মাত্র কয়েকটা দিন তারপরেই হোলি। শুক্রবার থেকেই মোটের উপরে হোলির মুডে চলে যাবে গোটা দেশ। একেবারেই অন্যরকমের দোল উৎসবে মাতবে বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্রগুলি। আর এই হোলির উৎসবে সামিল হতে অনেকেই ছুবেন বিভিন্ন জায়গায়।
পুরুলিয়া, শান্তিনিকেতন থেকে নবদ্বীপ, মায়াপুরের হোলি সেলিব্রেশনে সামিল হতে পর্যটকরা ছুটবেন বিভিন্ন জায়গায়। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক জায়গায় আবার বুকিং পাওয়াও যাচ্ছে না। এই ভিড়ের মধ্যে হোলি সেলিব্রেশনে না গিয়ে বরং ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়।

কলকাতার কাছেই সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরে আসতে পারবেন হোলি সেলিব্রেশন করে এমন একটি জায়গা হল শান্তিপুর। নবদ্বীপ- মায়াপুরের মতোই বৈষ্ণব তীর্থ। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে এই শান্তিপুরের সঙ্গে। সেকারণে শান্তিপুরের দোলযাত্রার একটু অন্যরকমের। এখানে অন্যভাবে দোল বা হোলি সেলিব্রেশন হয়।
দোলের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে শান্তিপুরে। দুর্গাপুজোর মতোই শান্তিপুরের দোলে ধুমধাম হয়ে থাকে। পাড়ায় পাড়ায় নাড়ুগোপালের মণ্ডপ তৈরি হয়। বিশাল বিশাল নাড়ু গোপালের মূর্তি মণ্ডপের ভেতরে সাজিয়ে
পুজো করা হয়। ঠিক যেমনটা করা হয় দুর্গাপুজোর সময়। বারোয়ারি পুজো ছাড়াও অনেক বাড়ির দোলমঞ্চেও নাড়ুগোপাল সাজিয়ে পুজো করা হয়। রকমারি বেশে সাজানো হয় গোপাল।
শান্তিপুরে দোলযাত্রা উপলক্ষ্যে তিন দিন ধরে চলে উৎসব। গোপালের ভোগে দেওয়া হয় মিষ্টি, পায়েস, নাড়ু। তিনদিন ধরে চলে উৎসব। তারপরে চন্দনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর মতোই শোভাযাত্রা করে মূর্তি বিসর্জন করা হয়। তার আগে পর্যন্ত নামগান আর দোল খেলা চলে। সেএক দেখার মতো দোল উৎসব। কোনও কোনও বাড়িতে গোপালের পুজোর বিশেষ আয়োজন করা হয়।
কলকাতা েথকে ট্রেনে মাত্র কয়েক ঘণ্টার সফরেই শান্তিপুরে পৌঁছে যাওয়া যায়। শান্তিপুরের শাড়ি কিনতে যান অনেকেই কিন্তু এই দোল উৎসব অনেক কম লোকেই দেখেছেন। সারাদিন কাটিয়ে কেউ যদি ফিরে আসতে না চান তাহলে অনেক থাকার জায়গা রয়েছে আবার সেখানে সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরেও আসা যায়। কারণ সারাদিনই প্রায় ট্রেন চলে।












Click it and Unblock the Notifications