Travel: কলকাতার কাছেই রয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ, তার সঙ্গে ঘুরে নিন এই জায়গায়
সপ্তাহান্তে অনেকেই কাছাকাছি বেড়ানোর ঠিকানা খোঁজেন। পাহাড় তো একেবারেই যেতে নারাজ সকলে। জঙ্গলও থাকে বন্ধ। কাজেই সমুদ্র ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু কতদিন আর কেবল সুমুদ্রের পাড়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। তবে ঘরের কাছেই কিন্তু রয়েছে এক অচেনা জায়গা।
চিলকা হ্রদের নাম সকলেই শুনেছেন। পুরী গেলে অনেকেই সাইড সিইং হিসেবে চিলকা ঘুরে নেন। সারা বছর এই হ্রদে বঙ্গোপসাগরের নোনাজল ঢুকে থাকলেও বর্ষাকালে কিন্তু এটি এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদে পরিণত হয়। যাঁরা চিলকা ঘুরেছেন তাঁদের অনেকেই কিন্তু এর কাছেই রম্ভার নাম শোনেননি।

চিলকা ঘুরতে গিয়ে বেশিরভাগ পর্যটকই এই হ্রদের জলের দ্বীপগুলিতে যেতে চান। সবগুলিতে গিয়ে উঠতে না পারলেও কয়েকটিতে ঠিকই ঘুরে নেন। তবে রম্ভা এবং বারিকুল অনেকেই যান না। এখানে যেতে হলে নামতে হবে বালুগাঁও স্টেশনে। জায়গাটি হাওড়া-বিশাখাপত্তনম রুটের মধ্যে পড়ে। বালুগাঁও স্টেশন থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই জায়গাটি। বরকুলে পর্যটকরা গেলেও রম্ভাতে খুব কম সংখ্যক পর্যটকের আনাগোনা দেখা যায়।
রম্ভা বরকুলের থেকে অপেক্ষাকৃত নির্জন। এখানে খুব বেশি পর্যটকের আনাগোনা নেই। এখান থেকে চিল্কায় প্রমোদ ভ্রমণ করতে পারেন। চিলকার নৌকা নিয়ে ভেসে পড়ুন। ঘুরে নিন ব্রকফাস্ট আইল্যান্ড, হানিমুন আইল্যান্ড, বার্ডস আইল্যান্ড এবং ঘণ্টশিলা গুহা। রম্ভা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নির্মল ঝর। একানে বিষ্ণু মন্দির রয়েছে। এছাড়াও শিব-পার্বতি মন্দির সহ একাধিক দেবতার মন্দির রয়েছে।
নির্মলঝরের কাছেই রয়েছে সালিয়া ড্যাম। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। সালিয়া ড্যাম থেক আবার ১২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ভগবতী মন্দির। এখান থেকে নৌকায় করে চলে আসুন চিলকার আসল জায়গা বরকুলে। এখানে থাকতে হলে রয়েছে ওড়িশা পর্যটন সংস্থার গেস্ট হাউস পান্থনিবাস। কাজেই আর দেরি না করে বেড়িয়ে পড়ুন।












Click it and Unblock the Notifications