Travel: হঠাৎ করে ভ্যাপসা গরম! প্রাণে একটু হিমেল পরশ নিতে চলে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
কলকাতায় গরম পড়তে শুরু করে দিয়েছে। বসন্তের রুদ্ররূপ ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে। মাঝে মধ্যে কালবৈশাখীর দেখা মিলছে ঠিকই কিন্তু তাতে আরাম মিলছে কই। প্রথম গ্রীষ্মের দহন ধীরে ধীরে টের পেতে শুরু করেছেন সকলেই।
আর কয়েকদিন পরেই ভোট যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। ছুটি তো দূরের কথা সেসময় বেড়াতে যাওয়া ঝুঁকি অনেকেই নিতে চান না। তাই মার্চের শেষ থেকে এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত হাতে সময় রয়েছে। তার মধ্যে চট করে কাছে পিঠে কোথাও বেড়িয়ে আসতে চাইছেন অনেকেই। তবে আর রাঢ়বঙ্গে নয়, গরমের তীব্র জ্বালা ভোগ করার আগে একটু প্রাণে শীতল বাতাস নিয়ে আসতে চাইছেন অনেকেই।

যাঁরা এইরকম একটু ঠান্ডা জায়গায় যেতে চাইছেন তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে রায়মাটাং। ডুয়ার্সের একেবারে অচেনা জায়গা এই রায়মাটাং। এর রাত দুদিনেই ঘোরা হয়ে যায়। একেবারে ভারত-ভুটান সীমান্তের এলাকা। আবহাওয়া এই সময় অত্যন্ত মনোরম থাকে এখানে। শীতকালে এখানে তীব্র ঠান্ডা পড়ে সেকারণে এই সময়ে শীতের কামড় অতটা থাকে না।
তিস্তা নদীর পাড়ে এই অচেনা জায়গাটি কিন্তু এই সময় বেড়ানোর সেরা জায়গা। এখানে পৌঁছতে হলে নামতে হবে হাসিমারা স্টেশনে। অসমগামী ট্রেনগুলিতে এই স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া যায়। আবার আলিপুরদুয়ার গামি ভিস্টাডোম ট্রেনেও আসতে পারেন। হাসিমারা স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান এই স্টেশনে।
আগে থেকে বুকিং করেও রাখতে পারেন আবার স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়াও করে নিতে পারেন। ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে এই হাসিমারা স্টেশন থেকে পৌঁছে যাওয়া যায় রায়মাটাং। চিলাপাতা জঙ্গলকে পাশে রেখে এগিয়ে যাবে গাড়ি। যেকোনও মুহূর্তে পৌঁছে হাতি বেরিয়ে আসতে পারে রাস্তায়। রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হবে।
জঙ্গলের পথ দিয়ে যাবে গাড়ি। নেটওয়ার্ক পাওয়া কঠিন। বেশিরভাগ সময় এখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। ভুটান পাহাড়ের কোলে রায়মাটাংয়ে হোমস্টে থেকে ঘুরে নিতে পারবেন এখানকার আশপাশের এলাকা। ভুটান পাহাড়ের কোলে অসাধারণ একটা জায়গা। ঘড়ির কাঁটাও কিন্তু অনেক সময় ভুটানের সময় দিতে শুরু করে। এখান থেকে ভুটান পাহাড়ের একাধিক জায়গায় ঘুরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কাছেই তিস্তা নদী। এই সময় নদীতে জল থাকে না। নদীর জল এতোটাই কম যে সেটা পেরিয়ে পৌঁছে েযতে পারেন ভুটান পাহাড়ে। বর্ষার সময় এই নদীই ভয়ঙ্কর আকার নেয়। গ্রামবাসীরা জানান বর্ষার সময় এই ভুটান পাহাড় থেকে মাঝে মধ্যেই হড়পা বান আসে। নদীতে স্নান সেরে চলে আসুন হোমস্টেতে। স্থানীয় খাবার খেয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়ুন। নদীর উপর গিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হবে এখানে এলে।












Click it and Unblock the Notifications