Travel: ফের চড়ছে পারদ, ঠান্ডার আমেজ পেতে ঘুরে আসুন এই লোকেশনে
ফেত তাপমাত্রা চড়েছে ৪০ ডিগ্রিতে। গরমে জেরবার দশা। গলদঘর্ম অবস্থায় রয়েছেন শহরবাসী। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে পাহাড় ছাড়া গতি নেই। কটা দিন পাহাড়ে কাটিয়ে আসুন ছুটি নিয়ে। কোথায় যাবেন ভেবে পাচ্ছেন না। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে ছোট্ট একটি পাহাড়ি গ্রাম।
কালিম্পং জেলার ছোট্টো গ্ৰাম পেডং। নিরিবিলিতে ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা। চারিদিকে বড় ওক, পাইন, বার্চ গাছের জঙ্গল। তার সঙ্গে তুষার শুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। পেডং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাব্রু, পান্ডিম তিনটি চূড়াই দেখা যায়। আদর্শ পাহাড়ি গ্রাম যেমনটা হয় এখানে তেমনই রয়েছে একটি নদী। তার নাম তিস্তা। তিস্তা পেডংয়ে কাছ দিয়ে বয়ে গিয়েছে। তার সঙ্গে উপরি পাওনা চা বাগান।

পাহাড়, জঙ্গল, নদী সব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা এই পেডং ভিলেজ। শান্ত ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি এখনও অনেকটাই অপরিচিত। শিলিগুড়ি থেকে ৮৬ কিমি দূরত্ব এই গ্রামের। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থান। শিলিগুড়ি থেকে যেতে সময় লাগে তিন থেকে চার ঘন্টা।
এই পেড সিকিমের সীমানায় অবস্থিত। সেকারণে যাঁরা মনে করছেন সিকিম ঘুরতে যাবেন তাঁরাও অনায়াসে ঘুরে নিতে পারেন এই জায়গাটি। এখান থেকে সিকিমের যেকোনও পর্যটন কেন্দ্রে চলে যেতে পারবেন। সেই ভাবেও প্যাকেজ করতে পারেন।
কালিম্পং থেকে আলগরা হয়ে যেতে হয় পেডং। পেডং ঘুরতে হলে সবচেয়ে ভাল সময় মার্চ থেকে অক্টোবর মা স পর্যন্ত। এখান থেকে অনেক জায়গায় সাইড সিইং করতে পারেন। রামি ভিউপয়েন্ট, সাইলেন্ট ভ্যালি, সাংচেন দোরজি গুম্ফা, দামসাং দুর্গ, একটি পুরনো গির্জা, ক্রস হিল, মুদুং ঝরনা, মূলখারকা হ্রদ , আরিতার হ্রদ, ঋষিখোলা একাধিক সুন্দর সুন্দর জায়গা রয়েছে এখানে।
আবার যদি কেউ নিছক নিিরবিলিতে সময় কাটাতে চান তাহলে পেডংয়ের পথে পথে ভিলেজ ওয়াক করতে মন্দ লাগবে না। এখানে থাকার জায়গা বলতে গ্রামের বাসিন্দাদের নিজেদের ঘরে তৈরি অতিথিশালী। যাকে আমরা হোমস্টে বলে থাকি। সেই হোমস্টেতে থাকতে হবে। সেই সঙ্গে পাহাড়ি খানাপিনার স্বাদ নিতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications