Travel: হোলির উৎসবে চলে আসুন এই শবর গ্রামে, কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা
বসন্ত এসে গিয়েছে। হোলির উৎসবে মাতবে গোটা দেশ। সেই হোলির উৎসব একটু অন্যকরকম করে কাটাতে এবার আর শান্তিনিকেতনে না গিয়ে ঘুরে আসুন এই অচেনা জায়গা থেকে। যেখানে আদিবাসীদের সহজ সরল উৎসবে মন ভাল হয়ে যাবে।
কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা। যার নাম নিমডিহি বা নিমডিহ। স্থানীয়দের মুখে মুখে সেটি নিমডিহি হয়ে গিয়েছে। হোলির উৎসব এখানে অন্যরকম। এখানে উৎসবের আতিসয্য নেই রয়েছে আপন জনের অনুভূতি। দলমা পাহাড়ের নীচে ছোট্ট আদিবাসী গ্রাম নিমডিহ। বাংলার প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের মধ্যে হলেও একেবারে বাংলার গা ঘেঁসে রয়েছে সেই গ্রাম।

আদিবাসী শবরদের বাস এই গ্রামে। খুব বেশি হলে ১০০ জনের বাস গোটা গ্রামে। দলমার জঙ্গলের কাছেই বলে এখানকার বাসিন্দােদ কাজই হল জঙ্গল থেকে শালপাতা সংগ্রহ করা আর জঙ্গলের ঘাস-পাতা দিয়ে নানা রকমরে কুটির শিল্পের সামগ্রি তৈরি করা। শুকনো ঘাস বুনে মাথার টিুপি থেকে বাস্কেট কত কি না তৈরি করেন তাঁরা। হস্তশিল্প মেলায় কলকাতা এই সামগ্রি গুলিই কতো দাম দিয়ে বিক্রি হয়। অথচ এখানে যাঁরা এগুলি তৈরিু করেন তাঁরা খুব কম টাকাতেই বিক্রি করে থাকেন।
কলকাতা থেকে একদিনেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। রাতে চক্রধরপুর এক্সপ্রেসে চড়ে সকালে পৌঁছে যেতে পারেন এই নিমডিহতে আবার বারবিল এক্সপ্রেসে করেও পৌঁছে যেতে পারেন এখানে। দুপুরের মধ্যে পৌঁছে যাবেন সেখানে। এখানে থাকার জায়গা একটাই রয়েছে গান্ধী আশ্রম। ভারত স্বাধীনতা প্রাপ্তির পরের বছরেই এখানে গান্ধী আশ্রম প্রতিষ্ঠা হয়েছিল।
নিমডিহ স্টেশন থেকে হেঁটেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। একেবারে গ্রামে মাটির রাস্তা। ছোট ছোট কুড়ে ঘরে থাকার ব্যবস্থা। টাওয়েলের বদলে পাবেন গামছা। চারিদিকে ফুলের মেলা। পলাশ-শিমুলের লাল হয়ে রয়েছে চারিদিক। তার সঙ্গে কাজ ফুলের বাহার চারিদিক এতো সুন্দর আর মনোরম দেখে মনে হবে প্রকতি নিজেই এখানে হোলি খেলছে। দোল পূর্ণিমার চাঁদ যখন আকাশ আলো করে থাকবে। সেই সময় হবে ন্যাড়া পোড়া। আদিবাসী ধামসা মাদলের তালে যেন সম্মোহন জাগাবে । তার সঙ্গে আদিবাসীদের নাচ। আদিবাসী শিল্পীর বাঁশি সুর তুলবে। সে এক অনিন্দ্য সুন্দর সম্মোহিত পরিবেশ। এটা মিস করবেন না। হাতে এখনও সময় রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications