Travel: গরমের ছুটিতে প্রকৃতির সঙ্গে কটা দিন কাটাতে চান? চলে আসুন পাহাড়ের গায়ে এই অফবিট লোকেশনে
সিকিম মানেই বাঙালি পর্যটকদের মনের কাছের জায়গা। দুষণ মুক্ত পরিবেশে কটা দিন কাটিয়ে আসতে চাইলে সিকিমে থেকে ভাল জায়গা আর নেই। এই গরমের ছুটিতে যাঁরা প্রকৃতির মধ্যে কাটাতে চান তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছেন এই অপরূপ সুন্দর জায়গা। যার নাম জোরেথাং।
পশ্চিম সিকিমের জোরেথাং নামেই লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতির যোগ। একেবারে প্রকৃতির করে নিখাদ নিজেকে নিয়ে যাঁরা একটু অবসর যাপন করতে চান তাঁদের জন্য সেরা ডেস্টিনেশন এই জোরেথাং। কারণ প্রকৃতি সেখানে আপনাকে দিয়ে মেডিটেশন করিয়ে নেবে। আপনার নিজের উদ্যোগী হওয়ার প্রয়োজন হবে না এতোটাই শান্ত এবং নির্জন জায়গা এটি।

একেবারে সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এই উপত্যকায় সিকিমের কাবরু, বোকোহ, দানজোগরি তুষার শৃঙ্গ দেখতে পাওয়া যায়। কাঞ্জনজঙ্ঘা না দেখা গেলেও এই িন শৃঙ্গের সৌন্দর্য কিন্তু কম সুন্দর নয়। না হয় এবার কাঞ্জন জঙ্ঘার বাইরে গিয়ে কোনও এক তুষার শৃঙ্গ উপভোগ করলেন। তার সঙ্গে রঙ্গিত নদীর বয়ে চলা। রঙ্গিত নদীতে আবার রাফ্টিংয়ের সুযোগও রয়েছে।
আবার নির্জন প্রকৃতির মাঝ থেকে একটু ছবির মতো সুন্দর পাহারি নগর ভ্রমণ করতে চাইলে ৪০ মিনিটের দূরত্বে চলে আসুন নামচি। ছবির মতো সাজানো একটি পাহাড়ি শহর। তাতে গ্যাংটকের এমজি মার্গের মতো সাজানো রস্তা দেখতে পাবেন। যেখানে বসে গরম গরম মোমো থেকে থুকপার স্বাদ নিতে পারবেন আবার সেখানে গরম গরম কাপ কেকেও কামড় বসাতে পারেন।
শহরে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে রাবাংলাও ঘুরে নিতে পারেন। সেটাও খুব বেশি দূরে নয়। কাঞ্জনজঙ্ঘাকে সাক্ষী রেখে এখানকার বিশাল বৌদ্ধমূর্তি মুগ্ধ করবে আপনাকে। এতোটাই সুন্দর এখানকার পরিবেশ। কাছেই রয়েছে টেমি টি গার্ডেন। সিকিমের একমাত্র টি গার্ডেন এটি। এখানে জিপ লাইনেরও সুবিধা রয়েছে।
এনজেপি থেকে জোরেথাং সহজেই পৌঁছে যেতে পারবেন। এনজেপি থেকে গাড়িতে সোজা পৌঁছে যাওয়া যায় জোরেথাংয়ে আবার শেয়ার গাড়িতেও পৌঁছে যাওয়া যায় সেখানে। এই যাত্রা পথও অসাধারণ। সিকিমে প্রবেশ করার পর থেকেই প্রকৃতির রূপ বদল হতে শুরু করে।












Click it and Unblock the Notifications