Travel: ভেটকি-ইলিশের স্বাদ নিয়ে সৈকত ভ্রমণ উপভোগ করতে চান, চলে আসুন কলকাতার কাছে এই জায়গায়
বর্ষা ঢুকে পড়েছে বঙ্গে। বৃষ্টিতে ভাসছে উত্তরবঙ্গ। দক্ষিণবঙ্গেও ঢুকে পড়ল বলে। এরই মধ্যে বর্ষার সোনালি ফসল ইলিশ ঢুকতে শুরু করেছে শহরের বাজারে। বর্ষা মানেই ইলিশ সেটা আর বাঙালিকে আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। আর ইলিশ মাছ বাজায় কামড় দিতে দিতে যদি সমুদ্র দর্শন হয় তাহলে কেমন লাগবে।
বর্ষায় উইকেন্ড ট্রিপ মানেই দিঘা-মন্দারমনি-গোপালপুর খুব বেশি দূর হলে পুরী। কিন্ত কেবল পুরীই ওড়িশার একমাত্র সৈকত নয়। আছে আরও অনেক সৈকত। তেমনই একটি অজানা সৈকত হল যমুনাসুল সমুদ্র সৈকত। এখানে মৎসপ্রেমী বাঙালির দিন কাটবে মজায়। সমুদ্র দর্শনের পাশাপাশি ইলিশ-ভেটকি-চিংড়ির স্বাদ নিতে পারবেন।

একেবারে নিরিবিলিতে সৈকতে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। ঝাউবনের মাঝে সমুদ্রের গর্জন। এখানে সৈকত বেশ পরিচ্ছন্ন কারণ পর্যটকদের তেমন ভিড় নেই এখানে। সমুদ্রের পাড়ে নুলিয়াদের নোকা রাখা। একেবারে সিনেমাটিকর ফটোগ্রাফ তুলতে পারবেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই। রিলসও অসাধারণ হবে।
সৈকতে লালকাঁকড়ার ভিড় দেখা যাবে। পায়ের শব্দ পেলেই টুক করে তারা ডুব দিচ্ছে বালির ভেতরে। পা ছুঁয়ে চলে যাবে সমুদ্রের জন। এখানে তেমন উত্তাল নয় সমুদ্র। সেকারণে সৈকত ঘুরে বেড়াতে বেশ ভাল লাগে। আর ঝাউ বনে ঘুরে দেখতে অসাধারণ লাগে।
ভোর বেলা সমুদ্র সৈকতে এলে জেলের মাছ ঝরা দেখতে পাবেন। জেলেরা মাছের জাল টানছেন সমুদ্রের পাড়ে সেটা দেখতে বেশ ভাল লাগে। তাঁদের সঙ্গে আপনিও হাত লাগাতে পারেন। রাশি রাশি মাছ দেখতে পারবেন জালে। ইলিশ-ভেটকি কতকি। সমুদ্রের জলে মাছ ধুয়ে নিয়ে তারপরে বাজারে নিয়ে যান জেলেরা। কাছেই রয়েছে মাঝের পাইকারি বাজার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সমুদ্রের পাড়ে কাটিয়ে দিতে পারেন। দুদিনের ছুটিতে অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন।
এখানে পৌঁছতে হলে ধৌলি এক্সপ্রেস ধরে চলে আসুন ওড়িশার বাস্তায়। সেখান থেকে গাড়িতে পৌঁছে যাবেন এই লোকেশনে। এই জমুনাসোল সমুদ্র সৈকতের কাছে থাকার একটি জায়গাই রয়েছে। সেকারণে আগে থেকে বুকিং করে আসাই ভাল।












Click it and Unblock the Notifications