Travel: পাহাড়ের কোলে নিঝুম অরণ্য, ঘুরে আসুন মহানন্দা স্যাঞ্চুয়ারির এই অফবিট লোকেশনে
ছবির মতো সাজানো পাহাড়ি গ্রাম। তাতে থাকবে একটা নদী। সারি সারি পাইন গাছ থাকবে রাস্তা জু়ড়ে। এমন জায়গায় ঘুরতে যেতে কার না ভাল লাগে। এমন জায়গায় কটা দিন কাটাতে চাইলে ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অচেনা ডেস্টিনেশনে যেখানে কল্পনার সঙ্গে বাস্তব মিলে যাবে।
গুমবা গাঁও। মহানন্দা স্যাঞ্চুয়ারির মধ্যে পড়ে এই গ্রামটি। ৪ ফুট উচ্চতা অবস্থিত এই গ্রামটি। একটু বেশি উচ্চতায় আর চারপাশে জঙ্গল থাকায় এখানে গরম একটু বেশি অনুভূত হয়। ছবির মতো সাজানো একটি পাহাড়ি গ্রাম এই গুমবা গাঁও। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে রয়েছে বাড়ি। অনেকটা যেমন ট্রাভেল ম্যাগাজিনের কভারে দেখা যায়। আর এই পাহাড়ে গায়েই রয়েছে সেই গহীন অরণ্য।

যেমনটা ছবির পাহাড়ি গ্রামে দেখা যায়। এখানেও রয়েেছ একটা ছোট্ট নদী। স্থানীয়রা যাকে বলে রিয়াং খোলা। আর গ্রামে ফুলের বাহার দখার মতো। প্রতিটি বাড়ির বারান্দা আলো করে রয়েছে রং বাহারি সব ফুলের বাহার। আর রঙিন ফুলের টানে নাম না জানা সব পাখিদের আনাগোনা গ্রামে। যাঁরা পাখি দেখতে ভালবাসেন তাঁদের কাছে এই জায়গা আরও সুন্দর হয়ে উঠবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
ঘুরে আসুন পাহাড়ের কোলের রূপসী গ্রামে। গ্রামে এলে আতিথেয়তার কমতি হবে না এখানকার বাসিন্দারা সহজই আপন করে নেন। তার সঙ্গে কবজি ডুবিয়ে খাওয়া দাওয়া করতে পারবেন। স্থানী খাবারের দুর্দান্ত স্বাদ চেেটপুটে নিতে পারবেন। এখানে হোমস্টের পাশাপাশি টেন্টের বন্দোবস্তও রয়েছে। কেউ যদি ট্রেকিংয়ের ফিল নিতে চান তাহলে অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন এই জায়গা থেকে।
পাহাড়ের কোলে এই গ্রামটির দূরত্ব এনজেপি থেকে ৪৫ কিলোমিটার। ২ ঘণ্টা সময় লাগে যেতে আসতে। একা গাড়ি ভাড়া করে নিতে পারেন আবার শেয়ার গাড়িতেও পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। দার্জিলিং থেকে এই গুমবা গাঁওয়ের দূরত্বও খুব বেশি নয়। কাজেই হাতে তিন দিনের ছুটি থাকলে অনায়াসে ঘুরে আসতে পারেন এই অফবিট লোকেশনে।












Click it and Unblock the Notifications