Travel: পুরী তো অনেকবার গিয়েছেন? ওড়িশার কোনও রাজবাড়িতে গিয়েছেন কি? কাটিয়ে আসুন রাজকীয় ছুটি
বাঙালির বেড়ানো মানেই উত্তর বঙ্গ আর দিঘা পুরী। পুরী তো হানিমুন থেকে উইকেন্ড ট্যুর সবসময় বাঙালির পছন্দের শীর্ষে থেকেছে। কিন্তু ওড়িশাতে বেড়াতে গিয়ে কোনও প্রসাদে কি কোনও দিন কাটিয়েছেন। এরকমই একটি অফবিট জায়গা হল ধেনকানাল প্যালেস। ওড়িশার ধেনকানাল জেলায় রয়েছে সেই প্রাসাদ।
এখনও সেই প্রাসাদে রাজপরিবারের লোকেরা বাস করেন। তবে একটি অংশ খুলে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের জন্য। সেখানে এসে ছুটি কাটিয়ে যেতে পারেন পর্যটকরা। একেবারে রাজকীয় বিলাসে কটাদিন কাটাতে এই ধেনকানাল প্যালেস কিন্তু আদর্শ জায়গা। কটকের কাছেই পড়ে এই জায়গাটি।

ওড়িশার কটকের সঙ্গে বাংলার যোগ রয়েছে অনেক আগে থেকেই। ধেনকানাল জেলার ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। এলাকাটি শাসন করতেন ধেনকানেল রাজা। পূর্বঘাট পর্বতমালার উপরে তৈরি ছোট্ট একটা প্রাসাদ। ১৯ শতকে তৈরি হয়েছিল প্রাসাদটি। এখন েহরিটেজ তকমা পেয়েছে এটি।
চারিদিকে জঙ্গল। আর উঁচু পাহাড়ের উপরে তৈরি এই প্রাসাদ। জঙ্গলে আবার হাতিদের বাস। প্রাসাদের ভেতরে বিশাল এক হাতির মাথা রাখা রয়েছে। যেটা নাকি শিকার করেছিলেন ধেনকানালের রাজারা। এখানকে আদিবাসীদের বাস। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হল এই ধেনকানাল জেলা ডোকরা শিল্পের জন্য বিখ্যাত। ধেনকানালেরক সাদেইবেরনি এবং নন্দগড়ে আদিবাসীরা ডোকরার সামগ্রি তৈরি করেন।
আবার ইক্কত শাড়ির উৎসস্থল এই ধেনকানাল জেলাই। এখানে ঘরে ঘরে ইক্কত শাড়ি এবং খান্ডুয়া সিল্ক শাড়ি তৈরি হয়। ধেনকানাল রাজবাড়ি থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে দুটি গ্রাম নুয়াপাটনা এবং মুনিয়াবন্ধনা। এই দুটি গ্রামে ঘরে ঘরে তৈরি হয় ইক্কত শাড়ি। গোটা দেশে যার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সেই সঙ্গে প্যালেসের চারপাশে রয়েছে গভীর জঙ্গল। যেখানে হাতিদের বাস। কাজেই একেবারে রাজবাড়িতে ছুটি কাটানোর পাশাপাশি জঙ্গল সাফারি এবং স্থানীয় শিল্পের দর্শনও হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications