Travel: সে এক স্বপ্নের গ্রাম, পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন এই আনকোড়া লোকেশনে
বর্ষার করাল গ্রাসে এখন বাঙালির প্রিয় পাহাড়। দার্জিলিং, সিকিমের রাস্তায় ধস নেমেছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ। মূ লত এই পথেই সিকিমে যান পর্যটকরা। পাশে ফুঁসছে তিস্তা নদী। পরিস্থিতি যে খুব একটা ভাল নয় সেটা পর্যটকরাও জানেন।
কিন্তু প্রতিবছরই বর্ষায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাবলে কি সিকিমকে ভুলে যেতে হবে। না পাহাড়ে যাওয়া ছেড়ে দেবেন পর্যটকরা। বর্ষার মেঘ কাটলেই ফের লাইন দিয়ে পর্যটকদের গাড়ি উঠবে পাহাড়ে। আবারও পর্যটকে গমগম করবে পাহাড়ের প্রতিটি জনপদ।

পুজোর ছুটির প্যাকেজ বুকিং এখনই শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই বুকিং নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ট্রাভেল এজেন্সি গুলিও বুকিং নিতে শুরু করে দিয়েছে। যাঁরা এখনও ঠিক করতে পারেননি কোথায় যাবেন। তাঁরা ঘুরে আসুন দেবরালি দারা। একেবারে অফবিট একটা লোকেশন।
দেবরালি বা দেভরালি শব্দটি নেপালি। এই শব্দের অর্থ হল পবিত্র পাহাড় চূড়া আর দারা শব্দের অর্থ সুন্দর দেখতে শিখর। এই দুই মিলে তৈরি হয়েছে দেবরালি দারা। বাংলা সিকিম সীমান্তের একটি ছোট্র গ্রাম এই দেবরালি দারা। তিস্তা নদী বয়ে গিয়েছে এই দেবরালি দারার পাশ দিয়ে।
তিস্তার এপারে বাংলা আর ওপারে সিকিম। ওপারে সিকিমের মেল্লি। খুব বেশিদিন হয়নি পর্যটন মানচিত্রে দেবরালি দারার নাম দেখা গিয়েছে। এখনও তেমনভাবে এর পরিচিতি তৈরি হয়নি। কালিম্পং থেকে খুব বেশি দূরে নয় দেবরালি দারা। মাত্র ৪০ কিলোমিটার পথ গেলেই দেবরালি দারায় পৌঁছে যাওয়া যায়। এখান থেকে অনেক জায়গা ঘুরে নেওয়া যায়। যেমন হনুমান টোক, হিমালি দারা, জলসা বাংলো, মহাদেব ধাম।
যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার ভাল বাসেন তারা কালিম্পং থেকে ট্রেক করেও দেবরালি দারা পৌঁছতে পারেন। দেবরালি দারাতে তেমন থাকার জায়গা নেই। ছোট ছোট হোমস্টে রয়েছে। সেখানেই থাকতে হবে। আর রামধুরাতে রয়েছে থাকার জায়গা। কাজেই আগে থেকে বুকিং করে আসাই ভাল।












Click it and Unblock the Notifications