Travel: বর্ষায় হাতছানি দিচ্ছে সমুদ্র, ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়
সপ্তাহান্তের ছুটিতে সমুদ্র সৈকতে বেড়ানোর কথা ভাবছেন? চলে আসুন এই অফবিট লোকেশনে। কলকাতার কাছেই রয়েছে এই অফবিট সমুদ্র সৈকত। একেবারে আনকোরা জায়গা সেকারণে পর্যটকদের সংখ্যাও অনেকটা কম। খুব বেশি কেউ জানেন না এই সৈকতটির কথা।
চারপাশে ঝাউবন তার মাঝে দীর্ঘ সৈকত। পরিচ্ছন্ন একেবারে পর্যটকের ভিড় নেই। এককথায় অনেকটা প্রাইভেট সৈকতের মতো মনে হবে। ওড়িশার এই সৈকতটির নাম ধনকালপাড়ু সৈকত। ওড়িশার জঞ্জাম জেলায় রয়েছে এই সৈকতটি। বেরহামপুর থেকে খুব কাছে। বেরহামপুর থেকে ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায়।

সৈকতের কাছাকাছি কোনও রেস্ট হাউস বা রিসর্ট এখনও তৈরি হয়নি। তাহলেই বুঝতে পারছেন এই সৈকত এখনও তেমন ভাবে পর্যটনের মানচিত্র এসে পড়েনি। ওড়িশা মানেই সকলে পুরী সৈকতের দিকেই ঝোঁকেন। পুরীতে অবশ্য সারাবছরই ভিড় থাকে। আর বাঙালির কাছে পুরীর একটা আলাদা মাধুর্য রয়েছে। হানিমুন থেকে উইকেন্ড ট্যুর সবেতেই বাঙালির সবার আগে পছন্দের তালিকায় আসে ওড়িশার পুরী।
এখন আবার পুরীর বাইরে সোনাপুর সৈকতে অনেকেই যাচ্ছেন। কারণ সম্প্রতি পরিচ্ছন্নতার জন্য এই সৈকত ব্লু ফ্ল্যাগ তকমা পেয়েছে। সেকারণে সোনাপুর সৈকতে এখন যাচ্ছেন পর্যটকরা। সেখানে একটি মাত্র বিচ রিসর্ট রয়েছে। সেটা সবসময় প্রায় বুক থাকে। সেকারণে পর্যটকরা সবসময় সেখানে িগয়ে উঠতে পারে না। এই বেরহামপুরের সৈকতটি একেবারেই নতুন।
শীতকালে স্থানীয় লোকেরা এখানে পিকনিক করতে আসে মাত্র। বাইরের পর্যটক প্রায় আসেন না। সেকারণে এখানে থাকার তেমন কোনও বন্দোবস্ত নেই। এখানে আসতে হলে বেরহামপুর থেকে আসতে হবে। সেখানে ট্রেনে এসে কোনও হোটেলে থাকতে হবে আগে। তারপর সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে এই সৈকতে পৌঁছতে হবে। তবে একবার এখানে আসতে পারলে মন ভাল হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications