Travel: পুজোর ছুটিতে কোনও অচেনা ডেস্টিনেশনে যেতে চাইছেন? ঘুরে আসুন এই পাহাড়ি গ্রামে
ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোয় ঘোরার প্রস্তুতি। বর্ষার মন্দা কাটিয়ে পুজোর মরশুমেই শুরু হয় পর্যটনের মরশুম। তার জন্য এখন থেকেই বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। দার্জিলিং, গ্যাংটক, সহ একাধিক জনপ্রিয় জায়গার বুকিং এখন থেকেই হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু অনেকেই পুজোর সময় একটু অচেনা জায়গায় যেতে পছন্দ করে। শহরের হুড়োহুড়ি থেকে বাঁচতে বেড়াতে গিয়েও হুড়োহুড়ির মধ্যে পড়তে চান না তাঁরা একটু অফবিট লোকেশনের খোঁজে থাকেন। এমন লোকেশনের অভাব নেই পাহাড়ে।
সিকিমের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য অফবিট ডেস্টিনেশন। বাঙালি পর্যটকদের কাছে সিকিম সবসময় ট্রাভেল লিস্টের শীর্ষে থাকে। উত্তর পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যের সৌন্দর্যের সম্মোহনে বুঁদ হয়ে থাকেন বাঙালি পর্যটকরা।

এই সিকিমেই রয়েছে এমন একটি পর্যটন কেন্দ্র যে জায়গার নাম বুড়িখোপ। এখানে পর্যটকদের একেবারেই ভিড় নেই। যেখানে চোখ মেললেই দেখা মেলে কাঞ্চনজঙ্ঘার। তারসঙ্গে ঝরনা, পাখি, ফুল তো রয়েইছে। তার সঙ্গে গ্রামের মানুষের চাষবাস দেখেই মন ভরে যাবে। পাহাড়ের ঢালে ঢালে চাষ করেন। জায়গাটি পশ্চিম সিকিমের একটি জায়গা। এখানে থাকতে গেলে হোমস্টেতেই থাকতে হবে । কারণ তেমন কোনও হোটেল এখানে নই। গ্রামের বাসিন্দারাই তাঁদের বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ণ করেন। তাঁরা আপন করে নেন অতিথিদের।
এখানে পৌঁছতে হলে গাড়ি বুকিং করেই আসতে হবে। কারণ এখানে শেয়ার গাড়ি যায় না। এনজেপি থেকে গাড়ি ভাড়া করে সেখানে যেতে হয়। জোরথাং হয়ে যেতে হয় বুড়িখোপ। আর শেয়ার গাড়িতে যেতে হলে জোরকথাং পর্যন্ত শেয়ার গাড়িতকে এসে সেখান থেকে সামবাড়িয়ার গাড়ি বুক করতে হবে। সোমবেড়িয়া থেকে গাড়ি খুব কমই পাওয়া যায়। সেকারণে আগে থেকে হোমস্টের সঙ্গে কথা বলে রাখা জরুরি।
আবার বুড়িখোপ ট্রেক করেও আসতে পারেন। সিকিমের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বার্সে থেকে ট্রেক করে বুড়িখোপে আসা যায়। এই পাহাড়ি গ্রামে তেমন ভাবে আলাদা করে কিছি দেখার নেই। কারণ গোটা গ্রামটাই ভিউ পয়েন্ট । যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই সম্মোহন জাগায় প্রকৃতি। সকালে কাঞ্চনজঙ্ঘার সূর্যোদয় দেখে ভিলেও ওয়াকে যেতে পারেন। অলসতায় ভরা ছুটি কাটানোর সেরা জায়গা এই বুড়িখোপ।












Click it and Unblock the Notifications