বসন্তের শেষ বেলায় তুষারে ঢেকেছে রাস্তা-গাছ-বাড়ি, শেষবার শীতের ছোঁয়া নিয়ে আসুন এখান থেকে
বসন্তে শীতের আমেজ পেতে বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছে এই জায়গা থেকে
বসন্তেও শীতের হাওয়া। হিমেল পরশে বেড়িয়ে আসুন সান্দাকফু , ফালুট থেকে। এই বছর এই প্রথম বরফের স্পর্শ পেল সান্দাকফুষ বসন্তের শেষ বেলায় একেবারে অন্যরকম আবহাওয়া। সাদা বরফের চাদরে ঢেকেছে সান্দাকফু। নতুন করে করে শীত যাওয়ার আগে হাওয়া বদল। বরফ গলার মরশুমে নতুন করে বরফে ঢাকল রাস্তা-ঘাট, বাড়ি ঘর। বসন্তে তুষারপাতের আমেজ নিতে বেড়িয়ে আসুন এখান থেকে।

বসন্তে তুষারপাত
বসন্ত তো এসেইছে। আবার বৈশাখ আসার আগেই গ্রীষ্মের দহন জানান দিতে শুরু করেছে দক্ষিণবঙ্গে। হঠাৎ গরমে যখন দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তি বাড়ছে। অন্যদিকে শীত গিয়েও যেতে চাইছে না উত্তরবঙ্গে। নতুন করে তুষারপাত শুরু হয়েছে সান্দাকফু, ফালুটে। বসন্তের তুষারপাত আগে খুব একটা দেখা যায়নি। এখানে হঠাৎ করে আবহাওয়ার এই বদলে নতুন করে পর্যটকদের উৎসাহ বাড়ছে। স্কুলের পরীক্ষা শেষ। আর দেরি না করে ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন।
বসন্তে তুষারপাতের এমন বিরল অভিজ্ঞতা খুব একটা পাওয়া যায় না।

সিকিমে তুষারপাত
গত কয়েকদিন ধরেই সিকিমে তুষারপাত শুরু হয়েছে নতুন করে। উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় প্রবল তুষারপাত শুরু হয়েছে। নতুন করে জাঁকিয়ে বসেছে ঠান্ডা। কনকনে ঠান্ডায় রাতারাতি মোটা লেপ কম্বল বের করে ফেলেছেন সকলে। শীত বিদায় নিতে শুরু করেছিল। উক্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় বরফ গলতে শুরু করেছিল। কিন্তু আবহাওয়ার বৈপরীত্যে নতুন করে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে তুষারপাত। ইয়ুমথাম ব্যালি থেকে শুরু করে গুরুদংমার লেক সর্বত্র বরফে ঢেকে গিয়েছে। এমনকী জিরো পয়েন্টেও তুষারে ঢেকে গিয়েছে। সেখানে এতটাই পুরু বরফ পড়েছে যে গাড়ি চলাচল করতে পারছে না।

সান্দাকফুতে তুষারপাত
িসকিমে তুষারপাত হলেও সান্দাকফুতে তেমন তুষারপাতের হয়নি এবছর। দার্জিলিঙে হালকা ফুলকা বৃষ্টি চলছিল। কিন্তু তুষারপাতের েতমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। হঠাৎ করে গতকাল রাত থেকে সব আবহাওয়া বদলে গিয়েছে। সান্দাকফু ফালুটে শুরু হয়ে গিয়েছে তুষারপাত। সাদা বরফে ঢেকেছে গোটা এলাকা। কনকনে হাওয়া দিচ্ছে। রাস্তাঘাট বাড়ির ছাদ সব সাদা বরফে ঢাকা। শীতের রেশ এসে পড়েছে দার্জিলিঙেও। সেখানেও শীতের দাপট দেখা দিয়েছে।

বসন্তের শেষে শীতের ছোঁয়া
হঠাৎ বসন্তের শেষবেলায় শীতের আমেজ পেতে যদি চান তাহলে ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। কলকাতা থেকে এনজেপি। সেখান থেকে গাড়িতে সোজা দার্জিলিং। তারপরে সেখান থেকে সান্দাকফু। কেউ সিকিম যেতে চাইলে তো কথাই নেই। মার্চের প্রথমে চাঁই চাঁই বরফ নিয়ে খেলা করার সুযোগা পেয়ে যাবেন। কলকাতায় তখন ৩৫ ডিগ্রি। রোগে গরমে হাসফাঁস দশা।












Click it and Unblock the Notifications