পাহাড়ি নদীতে মাছ ধরতে চান, গরমের ছুটিতে চড়ুইভাতির মজা নিতে চলে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
উত্তরবঙ্গের পরিচিত নাম বিজন বাড়ি। পাহাড়-জঙ্গল আর গ্রাম্য পরিবেশের এক অদ্ভুত সহাবস্থান এই বিজনবাড়ি। ধাপ কেটে কেটে ধান চাষ থেকে স্কোয়াশ গাছের মাচা। পাহাড়ি নদীতে মাছ শিকার। সবই একসঙ্গে একজায়গায়। নতুন ধরনের একটা অ্যাডভেঞ্চার। গরমের ছুটি কাটানোর একটু অন্যরকম একটা জায়গা বিজনবাড়ির এই ঝেঁপি গ্রাম।

ঝেঁপি গ্রাম
কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা না গেলেও পাহাড়ি গ্রামে সময় কাটানোর একটা অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে বিজনবাড়ির ঝেঁপিতে। ছবির মত একটা সুন্দর গ্রাম এই ঝেঁপি। দূরের পাহাড়ে মেঘেদের আনাগোনা। নীল আকাশ আর সবুজ গাছগাছালি। তারসঙ্গে পাহাড়ি নদী। তেমন স্রোত নেই তবে বয়ে চলেছে একেবারেই ধীরে ধীরে এমটা বললে ভুল হবে। হালকা হলেও স্রোত রয়েছে নদীতে।

ফার্ম স্টে
এখানে থাকার জায়গা বলতে রয়েছে একটা ফার্ম স্টে। সেটার অবস্থান এতটা সুন্দর যে বলার কথা নয়। ফার্ম স্টের চারপাশে যেন কেউ জাদুর তুলিতে এঁকে দিয়ে গিয়েছে প্রকৃতির সৌন্দর্য। ঘর-বারান্দ জুড়ে সবুজ আর নীলের সমাহার। পাহাড়ি নদীতে মাছ ধরার কৌশল অনায়াসে দেখা যায় এখানে। কীভাবে নদীর খাঁজে জাল পেতে দেওয়া হয় স্রোতের উল্টো দিকে। ফার্ম স্টেতে সারাদিন ঘুরেই দিন কাটিয়ে দেওয়া যায়।

কাছাকাছি কী দেখার আছে
এখান থেকে অনেক জায়গা দেখা যায়। দার্জিলিং থেকেও ঝেঁপি আসা যায় আবার ঝেঁপি থেকেও দার্জিলিং যাওয়া যায়। ৩০০ টাকায় শেয়ার গাড়িতে ঝেঁপি পৌঁছে যাওয়া যায়। আশপাশের শ্রীখোলা, রিম্বিক সহ একাধিক জায়গা। মোটের উপর ঝেঁপি থেকে অনায়াসে অনেক জায়গা দেখে নেওয়া যায়। কাজেই লোকসান একেবারেই হবে না এখানে এলে।

পাহাড়ের আন্দোলনের ধাক্কা
এতসুন্দর একটা গ্রাম একটা সময়ে জমজমাট ছিল। যাকে বলে জমজমাট শহর। স্কুল-পোস্ট অফিস, সরকারি অফিস সবই ছিল। কিন্তু ১৯৮৬ সালের আন্দোলনের জেরে এই ঝেঁপির চেহারা একেবারে বদলে গিয়েছে। এখন আর সেই জমজমাট অবস্থা নেই এখানকার। একেবারে ছোট পাহাড়ি গ্রামে পরিণত হয়েছে এটি। তবে পর্যটকদের প্রিয় জায়গায় পরিণত হতে বেশি সময় লাগেনি।
প্রতীকী ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications