মানেভঞ্জন-চিত্রে, চড়াই-উতরাইয়ে ছবির মত জায়গা হতেই পারে সেরা সামার ডেস্টিনেশন
চিত্রে। মানেভঙ্জন আর চিত্রের সঙ্গে তেমন কোনও বিভেদ নেই। চিত্রে যেতে হলে মানেভঞ্জন থেকেই যেতে হয়। সুখিয়া পোখরি হয়েও যাওয়া যায়। সান্দাকফু যাঁরা যান তাঁদের কাছে এটা পরিচিত নাম। ছবির মতো সুন্দর জায়গা এই চিত্রে। দার্জিিলং থেকে খুব বেশি দূরেও নয়।
দার্জিলিংয়ের কাছে চিত্রে। সান্দাকফু যেতে যাঁরা মানেভঞ্জন হয়ে যান তাঁদের কাছে চিত্রে পরিচিত নাম। অনেকে চিত্রের নামও শোনেননি। চিত্রে কিন্তু অসম্ভব সুন্দর ছবির মতো একটা জায়গা। তবে একটু চড়াই বেশি। চিত্রে যেতে হলে মানেঞ্জন হয়ে যেতে হবে। আপার চিত্রে আর লোয়ার চিত্রে দুটি জায়গা রয়েছে। আপার চিত্রে থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখা যায়। লোয়ার িচত্রে থেকে দেখা যায় না।

চিত্রের জনপ্রিয়তা তার সূর্যোদয়ের জন্য। আপার চিত্রে এবং লোয়ার চিত্রে ২ জায়গা থেকেই যে সূর্যোদয় দেখা যায় তা কোনও দিন ভোলার নয়। এনজেপি থেকে চিত্রের দূরত্ব খুব বেশি নয়। যাঁরা সান্দাকফু যেতে চান তাঁরা চিত্রেতে একদিন কাটিয়ে যেতে পারেন। কারণ চিত্রে অত্যন্ত সুন্দর একটা জায়গা। সবুজ ঘাসের গালিচা পাতা ভ্যালি তার উপরে কাঞ্জনজঙ্ঘার সৌন্দর্য। এমন সুন্দর জায়গা দার্জিলিং বা মিরিকের কাছাকাছি নেই বললেই চলে।

চিত্রের রাতের সৌন্দর্য আরও অসাধারণ। একদিকে দার্জিলিং অপরদিকে মিরিক আর শিলিগুড়ি। সন্ধে থেকে এই আলো দেখতে দেখতেই কাটিয়ে দেওয়া যায়। দেখে আসতে পারেন চিত্রে মনেস্ট্রি। এখান থেকে নেপাল সীমান্তও দেখা যায়। মানেঞ্জনকে ২ দেশেই পাওয়া যায় নেপাল এবং ভারত। একই রাস্তায়র দুই দিক দুই দেশে। অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা হবে এখানে এলে।

যাঁরা সান্দাকফু গাড়িতে যেতে চান তাঁরা একবার চিত্রে হয়ে যেতে পারেন। এখানে স্টে করে একটা দিন কাটিয়ে আবার পরের দিন রওনা হয়ে যান। কালিপোখরির পথে রওনা হয়ে যেতে পারেন। মোটের উপর যদি কেউ শুধু চিত্রেতে থাকতে চান। অনেক খম খরচে এখানে থাকতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications