Bonedi Barir Durga Puja: সন্ধিপুজোর আগে গর্জে ওঠে কামান, দেখে আসুন মালিয়াড়া রাজবাড়ির পুজো
মালিয়াড়ার রাজবাড়ি। যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নবাবি ইতিহাস। বাঁকুড়ার মালিয়াড়ার রাজবাড়িকতে আজও ধুমধাম করে ঐতিহ্য মেনে হয় দুর্গাপুজো। একািধক আশ্চর্য সব নিয়ম রয়েছে এই রাজবাড়ির পুজোয়। এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ঘরবাস অধুর্য।
তিনি ছিলেন সম্রাট আকবরের বিশ্বস্ত সৈনিক। রাজা তাঁর ব্যবহারে প্রবল সন্তুষ্ট ছিলেন। একদিন সম্রাট বলেছিলেন যেন অধুর্য নিজের দেশে গিয়ে এক রাতের মধ্যে ঘোড়া ছুটিয়ে যতটা েযতে পারবে ততটাই তিনি দান করবেন। এবং তাঁকে সেখানকার রাজা বলে ঘোষণা করবেন। সেই কথা শোনা মাত্র অধুর্য বাঁকুড়ায় এসে সারারাত ঘোড়া ছুটি শেষে মালিয়াড়ায় এসে হািজর হন।

মালিয়াড়া সেসময় ছিল বর্ধমান রাজার অধীনে। কিন্তি আকবরের নির্দেশ মেনে মালিয়াড়া অধুর্যকে দিতে বাধ্য হন বর্ধমান রাজ। তারপর থেকে তিনিই হন মালিয়াড়ার রাজা। সেখানে রাজ প্রাসাদ তৈরি করেন তিনি। তৈরি করেন মন্দির। তারপরে শুরু হয় দেবী দুর্গার আরাধনা।
এখানে মহালয়ার পরের দিনই পুজোর সূচনা হয়। এই বাড়ির পুজোর নিয়মে একাধিক বিশেষত্ব রয়েছে। দেবী দুর্গার পায়ের নীচে রাখা থাকে একটি তরোবারি। রাজপুরোহিত সেই তরোবারি স্পর্শ করার পর পুজো শুরু হয়। তারবরে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে নবপত্রিকা স্নান করিয়ে আনা হয়।
মহাষ্টমীর পুজোতেও রয়েছে বিশেষ নিয়ম। এখনও এই রাজবাড়িতে তোপধ্বনি হয়। বাড়ির বর্তমান পুরুষের কোনও একজন বন্দুক চালানোর পর গর্জে ওঠে কামান। তারপরে শুরু হয় সন্ধিপুজো। রাজবাড়ির সন্ধিপুজো শুরু হওয়ার পর এলাকার অন্যান্য বাড়ির পুজোর সন্ধিপুজো হয়।












Click it and Unblock the Notifications