Baropati sea beach: বিস্তীর্ণ সৈকত আর ঝাউবন, দিঘা-মন্দিরমনি নয় শহরের কাছেই রয়েছে এই অচেনা জায়গা
সারা বছরি মোটের উপরে ভিড়ে ঠাসা দিঘা-মন্দারমনি। বর্ষাতে তো তিল ধারনের জায়গা হয়না। এতোটাই পর্যটকে ঠাসা থাকে সমুদ্র সৈকত। ধর্মতলা আর দিঘা এই সময় এক মনে হয়। কাতারে কাতারে পর্যটক ভিড় করেন এখানে। দিঘা ছাড়াও মন্দিরমনি-গোপালপুরেও একই দশা।
শান্তিতে যে দু দণ্ড দিঘার সমুদ্র সৈকতে বসে থাকবেন সেই সুযোগ এবং অবকাশ কোনওটাই এই সময় পাবেন না। ঘাড়ের উপরে ঠাসাঠাসি করে বসে রয়েছে সকলে। অনেকেই কিন্তু জানেন না কলকাতার কাছেই রয়েছে একটি অনামি সমদ্র সৈকত। যার নাম বারোপতি। বিস্তীর্ণ তার প্রান্তর। সঙ্গে ঝাউবন।

এখানে এনে মুগ্ধ হয়ে যাবেন। পর্যটকদের পা তেমন ভাবে এখানে এখনো পড়েিন। ফাঁকা সৈকত। দেখে মনে হবে নির্জন কোনও দ্বীপে পৌঁছে গিয়েেন। সৈকতের কাছেই রয়েেছ বিস্তীর্ণ সৈকত। তার সৌন্দর্যও কম নয়। অসাধারণ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। শান্ত সৈকতে শুধু শোনৈা যায় সমুদ্রের গর্জন। ঝাউবনে উথাল পাথাল করে যায় হাওয়া।
তবে এই সৈকতের কাছাকাছি তেমন থাকার জায়গা নেই। এই সৈকতকে অনেকেই আবার বলে থাকেন খেজুরি সৈকত। মেদিনীপুরের কাঁথি শহর থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই সৈকত। সেকারণে যাঁরা জানতে পারেন এই সৈকতের কথা তাঁরা গাড়ি নিয়ে আসেন। সৈকতে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে আবার ফিরে যান কাঁথি বা মেদিনীপুর। আবার দিঘা-মন্দারমনিতেও চলে যান।
অনেকেই বাইকে করে চলে আসেন এখানে। একেবারে নির্জন হওয়ায় সৈকতে বাইক চালানো উপভোগ করেন তাঁরা। দিঘা-মন্দিরমনিতে যেটা একেবারেই সম্ভব নয়। সেকারণে অনেকেই বাইক নিয়ে এই সৈকতে আসেন। একেবারে নির্ঝঞ্ঝাট সৈকত। ঝাউ বনে বাতাসের শন শন আওয়াজ। আর ঝাউ গাছের দুলুনি উপভোগ করতে মন্দ লাগবে না।
একদিনের ছুটিতে অনায়াসে বেড়িয়ে আসা যায় এখান থেকে। যাঁরা এখান থেকে দিঘা বা মন্দারমনিতেও চলে যেতে পারেন। অসম্ভব সুন্দর এই জায়গাটি। এখানে অনায়াসেই বেড়িয়ে আসা যায়। একদিনে জন্যই হোক বা কয়েক ঘণ্টার জন্যই হোক কলকাতার একেবারে কাছে বাইকে বা গাড়িতে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় এই নির্জন সমুদ্র সৈকত থেকে।
ধীরে ধীরে এই জায়গাটিতে থাকার জায়গা শুরু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে সেটা কৈরি করতে সময় লাগবে। কারণ এই নির্জন সৈকতের কাছাকাছি তেমন কোনও লোকবসতি নেই। একেবারে নির্জন দ্বীপটা। অনেকটা যাওয়ার পর লোকবসতি পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications