AI কী কেড়ে নেবে আপনার কাজ? ১৮ মাসের মধ্যেই বড় বদলের ইঙ্গিত, কোন কোন চাকরি ঝুঁকিতে? দেখুন তালিকা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ এআই (AI) খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। প্রযুক্তি দুনিয়ার একাধিক বিশেষজ্ঞের মতে, স্ক্রিনভিত্তিক অনেক কাজ আগামী ১২-১৮ মাসের মধ্যেই স্বয়ংক্রিয় হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের শেষ থেকেই এর স্পষ্ট প্রভাব দেখা যেতে পারে, আর ২০২৭ নাগাদ পরিবর্তনটি আরও স্পষ্ট ভাবে দেখা যাবে।

প্রযুক্তি জগতের কয়েকজন শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন যে, এআই (AI) ধীরে ধীরে অনেক হোয়াইট-কলার চাকরির জায়গা নিয়ে নিতে পারে। ইতিমধ্যেই লেখালিখি থেকে শুরু করে ডেটা বিশ্লেষণ, প্রশাসনিক কাজ, কল সেন্টার পরিষেবা সহ আরও এমন নানা ক্ষেত্রে এআই (AI)-এর ব্যবহারের ফলে চাকরির ধরণ বদলাতে শুরু করেছে।
কোন কোন চাকরি ঝুঁকিতে রয়েছে?
মাইক্রোসফট (Microsoft)-এর প্রকাশিত একটি তালিকায় দেখা গিয়েছে যে, ২০২৫ সালের শেষের দিকে যেসমস্ত পেশা বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, তার মধ্যে রয়েছে,
- লেখক এবং সম্পাদক
- সাংবাদিক
- প্রুফরিডার
- টেকনিক্যাল রাইটার
- কাস্টমার সার্ভিস প্রতিনিধি
- টেলিমার্কেটার
- ট্রাভেল ক্লার্ক
- ডেটা সায়েন্টিস্ট
- মার্কেট রিসার্চ অ্যানালিস্ট
- ওয়েব ডেভেলপার
- ম্যানেজমেন্ট অ্যানালিস্ট
- পাবলিক রিলেশনস বিশেষজ্ঞ
- ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজর
- ইন্টারপ্রেটার এবং ট্রান্সলেটর
- গণিতবিদ
- অর্থনীতির শিক্ষক
- এমনকি, রেডিও ডি-জে এবং ব্রডকাস্ট ঘোষকরাও।
তালিকায় আরও রয়েছে প্রশাসনিক এবং বিক্রয় সংক্রান্ত বহু পদ। যেখানে পুনরাবৃত্তিমূলক অথবা তথ্যভিত্তিক কাজ বেশি।
তবে কী সব চাকরি চলে যাবে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি এতটাও সহজ নয়। এআই (AI) দ্রুত অনেক কাজ করতে পারলেও সমস্ত ক্ষেত্রে মানুষের বিকল্প হতে পারবে না। যাঁদের কাজের মধ্যে সৃজনশীলতা, জটিল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অথবা বড় গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রয়োজন রয়েছে, তাঁদের ঝুঁকি তুলনামূলক ভাবে কম।
তবে যেসমস্ত কাজ মূলত তথ্য সাজানো, কনটেন্ট ঘষা মাজা করা অথবা নির্দিষ্ট নির্দেশ মেনে বারবার একই ধরনের আউটপুট তৈরি করা, সেগুলিতে এআই (AI) দ্রুত জায়গা করে নিতে পারে।
অর্থাৎ এআই (AI) যে কর্মক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনছে, তা একেবারে স্পষ্ট। তবে ভবিষ্যৎ পুরোপুরি এআই (AI) দখল করে নেবে কি না, তা সময়ই বলবে।












Click it and Unblock the Notifications