টুইটারের কর্মীরা জেলে যেতে চান না! ভারতে বাক স্বাধীনতা নিয়ে বিস্ফোরক ইলন মাস্ক
টুইটারে যা বলা যায়, সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে। নেইকোনও সেনসরশিপ। অর্থাৎ বাক স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু ভারতে তা সম্ভব নয়। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই মন্তব্য করেছেন ইলন মাস্ক। ভারতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মগুলি অত্যন্ত কঠোর। সেখানে বাক স্বাধীনতা দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু বিষয়টি আমেরিকা কিংবা অন্য পশ্চিমী দেশে সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইলন মাস্ক বলেছেন, ভারতে প্রায়ই বিষয় বস্তুকে ব্লক করতে হয়। তিনি বলেছেন, টুইটার যদি নিয়ম নেমে না চলে, তাহলে তাদের কর্মীদের জেলে যেতে হবে। তিনি বলেছেন, টুইটারে যা দেখানো যায় কিংবা বলা যায়, তার জন্য ভারতের নিয়ম বেশ কঠোর। তিনি বলেছেন, নিজেজের পছন্দের কিছু থাকলেও টুইটার কোনও দেশের আইনের বাইরে যেতে পারে না।

মাস্ক বলেছেন, যদি টুইটার আইন মেনে না চলে তাহলে তাদের কর্মীদের জেলে যেতে হবে। তিনি কোন ভারতীয় আইনের কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বিবিসির বিতর্কিত ডকুমেন্টারি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এই মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ডকুমেন্টারি নিয়ে তিনি অবগত নন।
ডকুমেন্টারি সম্পর্কিত পোস্ট সেন্সর করা নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে ইলন মাস্ক বলেন, টেসলা এবং স্পেশ এক্স দেখার পাশাপাশি বিশ্বে টুইটারের প্রতিটি ক্ষেত্রে নজর রাখা তার পক্ষে সম্ভবপর নয়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মাস্ক বিষয়টিকে পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে চাইছেন।

মালিক হওয়ার পর থেকে ইলন মাস্ক টুইটারের বাকস্বাধীনতা বজায় রাখার পক্ষেই কথা বলেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টুইটার বেশ কিছু জিনিস ব্লক করেছে। ভারত সরকারের তরফ থেকে যতবার অনুরোধ করা হয়েছে, বিষয়গুলি মেনে নিয়েছে তারা। আগেও অবশ্য টুইটার ভারত সরকারের অনুরোধ মেনে চলেছে।
উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, মোদী সরকারের অনুরোধে টুইটার দিন কয়েক আগে বিশ্বব্যাপী এক ভারতীয়ের টুইট ব্লক করে। যা টুইটারের পক্ষে বিরল উদাহরণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications