Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মঙ্গলের নদীর পাহাড়ি এলাকাতেই গভীরতা ছিল ৬৬ ফুট! মিলল ভিজে বালিয়াড়ির খোঁজও

মঙ্গলেও নদী বইত। এমনকী স্রোতস্বিনী নদী ছাড়াও মহাসাগরও ছিল পৃথিবীর প্রতিবেশী ওই লাল গ্রহে। সম্প্রতি মঙ্গলের বুকে এমন নদীর হদিশ পেয়েছে নাসার বিজ্ঞানীরা যে, সেই নদীর পাহাড়ি এলাকাতেই গভীরতা ছিল ৬৬ ফুট। আর সবথেকে আশ্চর্যের সেখানে রয়েছে ভিজে বালিয়াড়ি।

নাসার দাবি, মঙ্গলে এক সময়ে নদী অববাহিকাও ছিল। মঙ্গলের মাটিতে নদী ছিল বলে প্রমাণ পেয়েছে পারসিভারেন্স রোভার। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পারসিভারেন্স রোভার ও চিনের ঝুরং রোভার এই আবিষ্কার করেছে। তাতে জানা গিয়েছে মঙ্গলের বুক চিরে একসময় নদী বইত।

মঙ্গলের নদীর পাহাড়ি এলাকাতেই গভীরতা ছিল ৬৬ ফুট!

মাত্র চার লক্ষ বছর আগে মঙ্গলের বুক চিরে নদী প্রবাহিত বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি নাসার পারসিভারেন্স রোভার যে প্রমাণ পেয়েছে তাতে মঙ্গলেও নদীতেও গভীরতা ছিল। পাহাড়ি এলাকায় ৬৬ ফুট গভীরতা যুক্ত নদী ছিল। এই গ্রহের পৃষ্ঠে সম্প্রতি যে নদীর হদিশ মিলেছে, তাকে মঙ্গলের বৃহত্তম নদী বলে উল্লেখ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে মঙ্গলে একটি মাত্র নদী নয়, মঙ্গলের বুকে একসময় নদী অববাহিকা ছিল। একাধিক নদীর অস্তিত্ব ছিল। নাসার রোভার জেজিরো ক্রেটারে গবেষণা চালিয়ে আগে ৮২০ ফুট লম্বা পাললিক শিলার হদিশ পেয়েছিল। সেই শিলার গায়ে জলস্রোতের চিহ্ন ছিল।

এবার সায়েন্স অ্যাডভান্স জার্নালে মঙ্গলের নদী অববাহিকার আবিষ্কার বিশদে প্রকাশিত হয়েছে। ২০২১ সালে মে মাসে মঙ্গলের মাটি ছুঁয়েছিল চিনের ঝুরং রোভার। সেই রোভারও মঙ্গলের জলের অস্তিত্বের প্রমাণ দিয়েছে। বালিয়াড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল একটি চাঙড়। সেখানেও এমন আবরণ পাওয়া গিয়েছে যা জল ও খনিজের সংস্পর্শে তৈরি হয়।

মঙ্গলের নদীর পাহাড়ি এলাকাতেই গভীরতা ছিল ৬৬ ফুট!

এর আগে নাসার পারসিভারেন্স মার্স রোভারের মাস্ট ক্যাম-জেড যন্ত্রের সাহায্যে তোলা শত শত ছবিকে একত্রিত করে একটি যৌগিক চিত্র তৈরি করা হয়েছে। সেই নতুন ছবিগুলিই প্রমাণ যে, প্রাচীনকালে নদী প্রবাহিত হত মঙ্গল গ্রহে। একসময় লাল গ্রহের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল উত্তাল নদী।

নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির পোস্টডক্টরাল গবেষক লিবি আইভস বলেন, জলের প্রবাহ যত বেশি শক্তিশালী, তত সহজে তা বেশি ধ্বংসাবশেষ বয়ে নিয়ে যায়। দু-বছর ধরে নাসার পারসিভারেন্স রোভার একটি ৮২০ ফুট লম্বা পাললিক শিলা নিয়ে পরীক্ষা করেছিল।

নাসার বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত যে, পাললিক শিলার উপর বাঁকা স্তরগুলি শক্তিশালী জল দ্বারা তৈরি হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা এখন খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন, কী ধরনের শক্তিশালী জলের প্রবাহ ছিল। সেই শক্তিশালী দলের প্রবাহ দ্বারা বক্ররেখাগুলি তৈরি করেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+