মঙ্গলে বইয়ের মতো দেখতে শিলা! নাসার কিউরিওসিটি রোভারের আবিষ্কারে চাঞ্চল্য

মঙ্গল গ্রহে নিত্যনতুন আবিষ্কার হয়েই চলেছে। নাসা তো একের পর এক তথ্য সামনে আনছে। পিছিয়ে নেই চিনা বিজ্ঞানীরাও। সম্প্রতি মঙ্গলের বিষুবরেখার সামনে তরল জলের অস্তিত্বের খোঁজ দিয়েছে চিনের রোভার। তারপরই নাসা বই আকৃতির শিলা আবিষ্কার করে চমকে দিল।

একেবারে বইয়ের মতো দেখতে শিলা! কেউ পড়ার আগে যেভাবে বই খোলা রাখেন, ঠিক সেভাবেই রয়েছে ওই বস্তু। নাসার কিউরিওসিটি রোভার তা আবিষ্কারের পরই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কৌতুহল তৈরি হয়েছে নাসার বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে।

নাসার কিউরিওসিটি রোভারের আবিষ্কারে চাঞ্চল্য

নাসার কিউরিওসিটি মার্স রোভারটি টেরা ফার্ম নামের পাথরের ক্লোজ আপ ভিউয়ের ছবি তুলেছে। এই ছবিটি তোলা হয়েছিল ২০২৩-এর ১৫ এপ্রিল। মঙ্গল গ্রহের হ্যান্ডলেন্স ব্যবহার করে ক্লোজ আপ ভিউ তোলার পর ওই ছবি সামনে আসে। মিশনের ৩৮০০তম মঙ্গল দিবসে একটি বইয়ের খোলা পৃষ্ঠার মতো শিলা আবিষ্কার হয়।

এই শিলাখণ্ডটি প্রায় এক ইঞ্চি বা আড়াই সেন্টিমিটার। একটি অ্যানাগ্লিফে একই চিত্র দেখায়, যা লাল-নীল থ্রি-ডি চশমা দিয়ে দেখা যায়। অস্বাভাবিক আকৃতির শিলাগুলি মঙ্গল গ্রহে স্বাভাবিক বলেই মতে বিজ্ঞানীজদের। প্রাচীনকালে একটি পাথরের ফাটলের মধ্য দিয়ে জলের স্রোত বা প্রবাহের কারণে ওই শিলা গঠিত হয়েছিল।

নাসার কিউরিওসিটি রোভারের আবিষ্কারে চাঞ্চল্য

ওই জলের প্রবাহের সঙ্গে কঠিন খনিজ এসেছিল। বায়ু দ্বারা বালি-বিস্ফোরিত হওয়ার কয়েক বছর পরে নরম শিলায় তা খোদাই করার রূপ নেয়। নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি কিউরিওসিটি মিশনের নেতৃত্ব দেয়। কিউরিওসিটি রোভারের রোবোটিক হাতের শেষ প্রান্তে অবস্থিত মার্স হ্যান্ড লেন্স ইমেজার।

ওই মার্স হ্যান্ড লেন্স ইমেজার নামক ক্যামেরা ব্যবহার করে সেলফি তোলা হয়েছে। আরও নানা অদ্ভুত রকমের ছবি তুলে ধরতে সফল হয়েছে ওই মার্স হ্যান্ড লেন্স ইমেজার। কিছুদিন আগেই নাসার মার্স কিউরিওসিটি রোভার পায়ের ছাপের ছবি পেয়েছিল মঙ্গলে। তা নিয়েও শুরু হয়েছিল চর্চা।

নাসার কিউরিওসিটি রোভারের আবিষ্কারে চাঞ্চল্য

হালে চিনের বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহে জলের হদিশ পান। চিনের মার্স রোভার অসাধ্য সাধন করে জানিয়েছে, তারা বিষুবরেখার কাছে জলের প্রমাণ পেয়েছে। এই প্রথম মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে প্রথম নজরে আসে এই সুন্দর নির্জন জায়গা। সেখানেই কি না মেলে জলের প্রমাণ!

মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে ওই জায়গার মাটি সবথেকে শুষ্ক। বলা যায় মরুভূমির থেকেও শুষ্ক। তাপমাত্রা অত্যধিক, কিন্তু সেখানে বাতাস অবিশ্বাস্যভাবে হালকা এবং বিষাক্ত। এই গ্রহটি যে একসময় অনেক উষ্ণ ও আর্দ্র ছিল এবং এখানে প্রবহমান জল ছিল, তা নিশ্চিত বিজ্ঞানীরা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+