Moon Mission: চাঁদে দাপট চিনা রোভার ইউটু-র, প্রজ্ঞান কি পারবে ভারতকে গর্বের আসনে বসাতে
চাঁদের মাটিতে পাঁচ বছর ধরে দাপট দেখা্চ্ছে চিনা রোভার ইউটু। এখন চাঁদের মাটিতে নেমেছে ভারতের রোভার প্রজ্ঞান। প্রজ্ঞান কি পারবে চিনের মতোই চাঁদের মাটি দাপিয়ে বেড়াতে। ১৪ দিনের জন্য প্রজ্ঞানকে চাঁদের মাটিতে নামানো হলেও, ইসরোর বুকে একরাশ আশা, বিক্রম ও প্রজ্ঞানও সূর্যের আলো পেলে ফের জেগে উঠবে।
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো চন্দ্র মিশনে ইতিহাস গড়েছে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা দিয়ে। তারপর ১৪ দিন ধরে চাঁদের মাটিতে দাপিয়ে বেড়িয়েছে প্রজ্ঞান। কিন্তু চাঁদে রাত নামতেই প্রজ্ঞান এবং ল্যান্ডাকর বিক্রম ঘুমিয়ে পড়েছে।

প্রজ্ঞান ঘুমিয়ে পড়লেও চাঁদের মাটিতে পাঁচ বছর ধরে কাজ করে চলেছে চিনের রোভার ইউটু। ২০১৮ সালে চন্দ্রপৃষ্ঠে নামে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর দিকেই আইটকেন বেসিনে নামে চিনের মহাকাশযান। তারপর থেকে সক্রিয় রয়েছে চিনের রোভার। এখন দেখার দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় চাঁদের মাটিতে নামার পর প্রজ্ঞান সক্রিয় হতে পারে কি না।
২০০৭ সাল থেকে চন্দ্র অভিযান শুরু করে চিন। চ্যাং ১ ও চ্যাং ২ নামেপ দুটি মহাকাশযান তারা চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন করেত সফল হয়েছে। তারপর চ্যাং ৩ মহাকাশযান পাঠায় চিন। তার মধ্যেই ছিল ইউটু রোভার। তা এখন চন্দ্রপৃষ্ঠে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
এরপর ২০১৯ সালেও চন্দ্রযান চ্যাং ৪ মিশনে সাফল্য পায় বেজিং। চাঁদের কক্ষপথে থেকে কোয়েকিয়া অরবিটার স্পেস সেন্টারে তথ্য পাঠিয়ে চলেছে। চাঁদের বুক থেকে চার কেজি ধুলো সংগ্রহ করে ল্যান্ডারের বিশেষ চেম্বারে রাখবে এর বিশেষ ড্রিন মেসিন ও রোবোটিক হাত।
চাঁদের বুকে পাকাপাকি বসতি তৈরির পরিকল্পনায় এগোচ্ছে চিন। তা নিয়েই পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। চাঁদের খনিজ আহরণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে তারা। সেই লক্ষ্যেই চাঁদের মাটি সংগ্রহ করে আনছে। ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে চিন।

এই অবস্থায় ভারত পরে শুরু করেছে চন্দ্র অভিযান। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সফলও হয়েছে। কিন্তু ভারত চিনের মতো চাঁদের মাটিতে দাপট দেখাতে পারবে কি না, তা বোঝা যাবে প্রজ্ঞান ও বিক্রমের পুনর্জাগরণের উপর। সেই আশায় এখন দিন গুণছে ইসরে। এই মাসের ২২ তারিখেই বোঝা যাবে ভারত চাঁদের মাটিতে অনুসন্ধান প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে কি না।
উল্লেখ্য, চাঁদের মাটিতে সূর্যের আলো ফুটবে ২০ সেপ্টেম্বর। তারপর পুরোটা সূর্যালোক পড়তে আরও দুটিন অর্থার ২২ সেপ্টেম্বর লেগে যাবে। তারপরই স্পষ্ট হবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান ফের জেগে ওঠে কি না। চাঁদের মাটিতে তাদের ঘুম ভাঙলেই চিনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভারতও চালিয়ে যেতে পারবে গবেষণা।












Click it and Unblock the Notifications