Mars News: পৃথিবীর বাইরেও আছে প্রাণ! মঙ্গল গ্রহে প্রাচীন নদী হদিশ দিতে পারে জীবনের
পৃথিবীর বাইরের কোনও গ্রহে প্রাণ থাকতে পারে, এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে পরিণত করতে বিজ্ঞানীদের চেষ্টার শেষ নেই! এখন নতুন এক গবেষণা মহাকাশ গবেষকদের হাতে চাঁদ এনে দিয়েছে। নাসার অধ্যাবসায় রোভার এমন একটি নমুনা সামনে এনেছে যে তাঁরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, মঙ্গল গ্রহে প্রাচীন নদী হদিশ দিতে পারে জীবনের!
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন নদী পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সন্ধানের পথ তৈরি করে দিয়েছে। নাসার অধ্যবসায় রোভার সফলভাবে মঙ্গল গ্রহে তার ২০তম রক কোর নমুনাটি পাঠিয়েছে। এই নমুনাটিতে প্রাচীন মাইক্রোবায়াল জীবনের লক্ষণগুলি মজুত রয়েছে। এই মিশনটি ভিনগ্রহে জীবনের অনুসন্ধানে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

এই নমুনায় যেমন মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন অতীত সম্পর্কে জানা যাবে, নমুনাটি ভূতাত্ত্বিক তথ্যের একটি সম্পদও সরবরাহ করবে। নমুনাটি এমন একটি অঞ্চল থেকে নেওয়া হয়েছিল, যা একটি নদী দ্বারা গঠিত হয়েছিল। ওই প্রাচীন নদীতে পাওয়া টুকরোগুলি বিভিন্ন স্থান থেকে বহন করে আনা।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, প্রতিটি খণ্ডে একটি অনন্য ভূতাত্ত্বিক গল্প লুকিয়ে রয়েছে। মঙ্গল গ্রহের ওই নমুনা থেকে কী কী গল্প বেরিয়ে আসে বা অজানাকে জানা যায়, সেটাই দেখার। নদীতে পাওয়া নুড়ি এবং পাথরগুলি পার্শ্ববর্তী গ্রহের বার্তাবহন করে আনছে বলেই মনে করছেন প্যাসাডেনার ক্যালটেকের প্রকল্প বিজ্ঞানী কেন ফার্লে।
নাসার পারসিভারেন্স রোভারটি মার্স স্যাম্পল রিটার্ন ক্যাম্পেইনের অংশ। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি বা এসার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ তার লক্ষ্য ল্যাব সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিস্তারিত অধ্যয়নের জন্য মঙ্গলগ্রহের নমুনাগুলিকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা। বিজ্ঞানীরা ওই কোরের প্রতিটি নুড়ি এবং খণ্ড পরীক্ষা করে তার বয়স নির্ধারণ করতে সচেষ্ট।

বর্তমানে নাসার ওই পারসিভারেন্স রোভার ১৩০ ফুট লম্বা পাললিক শিলার একটি পাখা-আকৃতির স্তূপ অন্বেষণ করছে। মঙ্গলের 'ওটিস পিক' থেকে নমুনাটি নিরাপদে সঞ্চয় করে রোভারটি এখন 'স্নোড্রিফ্ট পিক' নামক একটি নীচু শৃঙ্গের দিকে যাচ্ছে, যা কোটি কোটি বছর আগে একটি প্রাচীন নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিল।
বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের পাঠানো শিলা পরীক্ষা করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। যেকোনও কৌতূহলী অনুসন্ধানের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তাঁরা। ফারলে বলেন, "পুরনো দিনে সোনা বা হীরা খুঁজতে প্রদর্শকরা প্রায়শই নদীর দিকে তাকাতেন। এখনও ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধানেও সেই নদীর দিকে তাকিয়ে গবেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications