সৃষ্টি স্তম্ভের ভুতুড়ে ছবি আঁকল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ, নতুন সূর্য হল সমাহিত
সৃষ্টি স্তম্ভের ভুতুড়ে ছবি আঁকল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ, নতুন সূর্য হল সমাহিত
সৃষ্টি স্তম্ভের ভুতুড়ে ছবি আঁকল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ওয়েবের মধ্য-ইনফ্রারেড যন্ত্র ব্যবহার করে এই অসাধ্য সাধন করেছে। ওয়েবের মধ্য-ইনফ্রারেড যন্ত্রের সাহায্যে সৃষ্টি স্তম্ভ দেখার জন্য তাঁরা নতুন সূর্যের জন্ম দিয়েছে আবার তা সমাহিতও করেছেন। একটি নতুন আলোতে প্রকাশ পেয়েছে সৃষ্টি স্তম্ভ।
|
গভীর মহাকাশে তারকার ভুতুড়ে চিত্র
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ একটি নতুন আলোতে সৃষ্টিস্তম্ভ প্রকাশ করার কয়েক দিন পর তা আবার গভীর মহাকাশে তারকার ভুতুড়ে চিত্রগুলি এঁকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছে। স্তম্ভগুলি গ্যাস এবং ধূলিকণা দ্বারা প্রভাবিত, তারাগুলি বহু সহস্রাব্দ ধরে ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছিল, তা আবার সমাহিত হয়েছে মহাশূন্যে, যা বর্তমানে মধ্য-ইনফ্রারেড আলোতে দেখা যায়।
|
গ্যাস ও ধূলিকণার স্তম্ভগুলি জ্বলজ্বল করে
চিত্রটিতে আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূলিকণা দেখা যায়। মধ্য-ইনফ্রারেড আলোয় দেখা যায় কোথায় ধূলিকণা রয়েছে, তা বিস্তারিত জানাতে পারদর্শী হয়। এই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে তারাগুলি উপস্থিত হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট উজ্জ্বল নয়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গ্যাস ও ধূলিকণার স্তম্ভগুলি তাদের প্রান্তে জ্বলজ্বল করে এবং তা যে কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে তার ইঙ্গিত দেয়।
|
স্তম্ভগুলির প্রান্তের দিকে লাল রঙের
ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি বলেছে, এই অঞ্চলে হাজার হাজার নক্ষত্র তৈরি হয়েছে। তবে বেশিরভাগ তারা অনুপস্থিত। মিরি কেবল তরুণ তারকাদের দেখতে সক্ষম। এই স্তম্ভগুলির প্রান্তের দিকে লাল রঙের। চিত্রটি গ্যাস এবং ধূলোকে চরম বিশদভাবে প্রকাশ করে, যা পুরো পদভূমিতে অস্পষ্ট।

চিত্রটির পটভূমিতে কোনও গ্যালাক্সি নেই
এসা বলেছে, ধূলিকণার ঘনতম অঞ্চলগুলি হল ধূসর রক্ষের গাঢ় ছায়া এবং শীর্ষের দিকে লাল অঞ্চল, যা প্রসারিত ডানাওয়ালা পেঁচার মতো একটি অস্বাভাবিক 'ভি' তৈরি করে। সেখানে ধুলো ছড়িয়ে পড়ে এবং শীতল হয়। চিত্রটির পটভূমিতে কোনও গ্যালাক্সি নেই। মিল্কিওয়ে ডিস্কের ঘনতম অংশে আন্তঃনাক্ষত্রিক মাধ্যমটি গ্যাস এবং ধূলিকণায় খুব বেশি ফুলে গিয়েছে। এর ফলে দূরবর্তী আলোও সেখানে প্রবেশ করতে পারে।

সৃষ্টির সম্ভগুলি কত বড়?
সৃস্টির স্তম্ভগুলি বিশাল ঈগল নেবুলার মধ্যে অবস্থিত, যা ৬৫০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এক রিলিজে বলেছে যে উপরের স্তম্ভটি, উজ্জ্বল লাল নক্ষত্রের উপর অবতরণ করছে, তার নীচের প্রান্ত থেকে ঝাড়ুর মতো বেরিয়ে আসছে। এর ধূলিময় আবরণ আমাদের সৌর জগতের থেকে বড়ো।

সৃষ্টির স্তম্ভগুলির একটি ল্যান্ডস্কেপ ক্যাপচার
নাসা এই মাসের শুরুতেই সৃষ্টির স্তম্ভগুলির একটি ল্যান্ডস্কেপ ক্যাপচার করেছে। এই ছবিটি দেখতে রাজকীয় শিলা গঠনের মতো। এই কলামগুলি শীতল আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস এবং ধূলিকণা দ্বারা গঠিত বা প্রদর্শিত হয়। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের ইনফ্রারেড আলোতে তা আধা স্বচ্ছ দেখায়।
ছবি সৌ:নাসা












Click it and Unblock the Notifications