আর কে অঙ্ক শেখাবেন? সুপ্রিম নির্দেশে স্যারের চাকরি যেতেই প্রশ্ন পড়ুয়াদের, চিন্তায় অভিভাবকরাও
স্কুলে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১২০০ জন। আর পড়ুয়া অনুপাতে শিক্ষকের সংখ্যা ঠিক-ঠাক না থাকলেও দিব্যি চলছিল স্কুলের পঠন পাঠন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বাতিল হয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি। সেই নির্দেশে বাদ পড়েছে তালডাংরা ফুলমতি উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক সহ দুজন অশিক্ষক কর্মী। যার ফলের স্কুলে দেখা দিয়েছে শিক্ষকের অভাব।
চাকরি যাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে দুজন ইংরেজি বিভাগের একজন অংক বিভাগের সহ আরও একজন জীবন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন তাঁরা। একসঙ্গে চারজনের চাকরি হারানোর পর মাথায় হাত স্কুল কর্তৃপক্ষের। কারা তাঁদের জায়গায় ক্লাস নেবেন? উঠছে প্রশ্ন। এমনিও এই স্কুলের শিক্ষক সংখ্যা কম। স্কুলের প্রধান শিক্ষক অংক বিভাগের শিক্ষক হলেও স্কুলের বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় তারপরেও ক্লাস নেওয়ার সময় বার করতে হয় তাঁকে। কিন্তু এই স্কুলের অংক বিভাগের শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের অংক বিভাগ এখন প্রধান শিক্ষককেই দেখতে হবে। ফলের প্রধান শিক্ষক স্কুল পরিচালনা করবেন না ক্লাস নেবেন বা ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে কতটা পড়াশোনা করতে পারবে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

শুধু অংকই না জীবন বিজ্ঞানের এক উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয় সেই বিষয়েও পড়াশোনার ক্ষেত্রে উঠছে নানান প্রশ্ন। অন্যদিকে ইংরেজি বিভাগের দুই জন শিক্ষিকার চাকরি বাতিল হয় ব্যাক টু ব্যাক ক্লাস হচ্ছে বর্তমান স্কুলে থাকা দুই ইংরেজি শিক্ষককে।
এক কথায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত এর চিত্র ফুটে উঠছে এই চাকরি বাতিলের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে।
এই স্কুলে দুজন গ্রুপ সি অর্থাৎ ক্লার্ক পদে যুক্ত ছিল কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী একজন ক্লার্কের চাকরি বাতিল হয়। এই চাকরি বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে শুধু স্কুলের পঠন পাঠন এর ক্ষেত্রে মাথাব্যথা নয় অন্যদিকে এই স্কুলের বারোশো প্রায় ছাত্রছাত্রী থাকলেও বর্তমানে একজন ক্লার্কের উপর পুরো স্কুলের দায়িত্ব উঠেছে। যা মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের।












Click it and Unblock the Notifications