মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু শুরু করছেন ‘জনতার দরবার’, সরাসরি শুনবেন সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবার চালু করতে চলেছেন 'জনতার দরবার' কর্মসূচি। সরাসরি জনগণের অভিযোগ শুনতে এবং সমাধানের উদ্দেশে এই নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম বিধানসভা অধিবেশনেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ দেন এবং এই পদক্ষেপের ঘোষণা করেন।
এই কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী সপ্তাহে এক বা দু'দিন, দু'ঘণ্টা করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁর সঙ্গে প্রশাসনিক আধিকারিকও থাকবেন। রাজ্য প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই এর প্রস্তুতি শুরু করেছেন এবং বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। সূত্র অনুযায়ী, যদিও এটি এখন পরিকল্পনা স্তরে, দ্রুতই চূড়ান্ত করা হবে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী 'জনশুনানি' নামে অনুরূপ কর্মসূচি শুরু করায়, এবার পশ্চিমবঙ্গেও এই জনমুখী উদ্যোগ চালু হতে চলেছে।
শুক্রবার ছিল নবগঠিত রাজ্য সরকারের প্রথম বিধানসভা অধিবেশন। শুরুতেই বিজেপি ও তৃণমূলের বিধায়কদের মধ্যে তীব্র স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে বিধানসভা কক্ষ উত্তপ্ত হয়, যার পরে তৃণমূল ওয়াকআউট করে। এই উত্তপ্ত আবহেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রথম ভাষণ দেন।
বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''বিরোধীদের সকলকে এই ঐতিহাসিক বিধানসভায় আমার ও সরকারের পক্ষে ধন্যবাদ। প্রধান বিরোধী দলকে স্পিকার নির্বাচনে পরম্পরা বজায় রাখার জন্য ধন্যবাদ৷ আশা করব, এই বিধানসভা গুরুত্ব পালন করবে। আমার অম্লমধুর অভিজ্ঞতা আমি তুলে ধরতে চাইনি। আমাদের ভুল-ত্রুটি, বিচ্যুতি আজ দেখতে চাই না। সংবিধান ও বিধানসভার রুলস ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের পরম্পরা মেনেই অংশ গ্রহণ করব৷ আশা করব বিধানসভা চলার ক্ষেত্রে বিধায়কদের উপস্থিতি, প্রশ্নোত্তর পর্বতে যোগ দেবেন। বিরোধীদের বিরোধিতা অবশ্যই থাকবে। কিন্তু প্রথম দিন থেকে বিএ কমিটির নির্দেশ বানচাল করা থেকে তারা বিরত থাকবেন।''












Click it and Unblock the Notifications