দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে অ্যাকশন মোডে নির্বাচন কমিশন! সরানো হল বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার এডিএমকে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (২০২৬)-এর দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টা আগেই নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক স্তরে বড় রদবদল ঘটাল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলা শাসক (ADM) ভাস্কর পাল ও বীরভূমের এডিএম সৌভিক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই দুই আধিকারিক ভোটের কোনও কাজে অংশ নিতে পারবেন না। তাদের কোনও বিকল্প দায়িত্বও দেওয়া হয়নি।
এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের পিছনের সুনির্দিষ্ট কারণ কমিশন জানায়নি। তবে, এর আগে এদিন সন্ধ্যায় ফলতার বিডিও (BDO) সৌরভ হাজরাকে পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগে অপসারণ করে পুরুলিয়ায় বদলি করা হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এডিএম ভাস্কর পালের অপসারণের পিছনেও একই কারণ রয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল রাতে সাংবাদিক বৈঠকে ভোটারদের আশ্বস্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "কেউ কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। গোটা প্রশাসন তৎপর। নিজের ভোট নিজে গিয়ে দিন।" যেকোনও অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান এবং নিজে বুথ পরিদর্শনে যাবেন।
আগরওয়াল আরও জানান, ২৫ কোম্পানি প্যারামিলিটারি ফোর্স মোতায়েন রয়েছে এবং সব পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওয়েব কাস্টিং ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রতিটি বুথ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সিইও উল্লেখ করেন, "১০০ মিটারের মধ্যে কার্ড ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।" কোনও প্রকার ঝামেলা হলে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনাও থাকছে।
স্ট্রং রুমে ক্যামেরা বন্ধ প্রসঙ্গে মনোজকুমার বলেন, "কোথাও লোডশেডিং হতে পারে। কিন্তু কোনও সমস্যা হলে রাজনৈতিক দলগুলি অভিযোগ জমা দিতে পারেন।" অন্যদিকে, 'সিংঘম' আইপিএস অজয়পাল শর্মাকে ঘিরে চলা বিতর্ক প্রসঙ্গে সিইও স্পষ্ট করে মন্তব্য করেন, "অজয়পাল শর্মা অবজারভার। তিনি সরাসরি কোনও অ্যাকশন নিতে পারবেন না। কমিশনের অনুমতি ছাড়া কোনও অ্যাকশন হবে না।"












Click it and Unblock the Notifications