Weather update: চলছে অবিরাম বর্ষণ, কবে মিলবে বৃষ্টি থেকে মুক্তি? কী বলছে হাওয়া অফিস
ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় দানা। গতকাল থেকেই তার জেরে গোটা রাজ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতা সহ উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে চলছে নাগাড়ে বৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড়ের দাপট আর কতদিন থাকবে এই নিয়ে উদ্বেগে বাসিন্দারা।
মধ্যরাতে ওড়িশার ভিতরকণিকা এবং ধামড়া বন্দরের মাঝে একটি জায়গায় আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় দানা। ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিবেগ নিয়ে সেটি আছড়ে পড়ে। ওড়িশায় প্রবল ঝড়বৃষ্টি চলছে। ওড়িশার ১৬ জেলায় হড়পা বানের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভদ্রকে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। একাধিক গাছ উপড়ে পড়েছে। অনেক বাড়ি ভেঙে গিয়েছে । পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ওড়িশা সরকার।

ঘূর্ণিঝড়ের দাপট কমলেও ঝড়বৃষ্টি কিন্তু জারি রয়েছে। স্থলভাগে প্রবেশ করার পরেই অনেকটা শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ডানা। আগে থেকেই অবশ্য সতর্ক ছিল বাংলা। রাত জেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সারারাত ডানার গতিবিধির উপরে নজর রেখেছিলেন তিনি। গতকাল সকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি চলছিল। রাত থেকে সেই বৃষ্টির দাপট আরও বেড়েছে। বিশেষকরে উপকূলবর্তীজেলাগুলিতে ঝড়ের দাপট বেড়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়ের তেমন ভয়ঙ্কর প্রভাব বাংলায় পড়েনি। অবিরাম বৃষ্টি চলছে ঠিকই কিন্তু যেমনটা আশঙ্কা করা গিয়েছিল তেমনটা কিছু ঘটেনি। যে গতিতে ঝড় বইবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল সেই গতিতে আর ঝড় বইছে না। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপচ একটু বেশি রয়েছে। তবে বাকি জেলাগুলিতে বর্ষণের তেমন তীব্রতা নেই। ঝড়েও দাপট নেই বললেই চলে। আলিপুর আবহাওযা দফতর জানিয়েছে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যের জেলাগুলিতে বর্ষণ চলবে। অর্থাৎ কালীপুজো একেবারেই মেঘমুক্ত হবে না।
শুক্রবার দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় অতিবৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশের মুখ ভার। নাগারে বর্ষণ চলছে গতকাল রাত থেকে। তবে ঝড়ের তেমন কোনও দাপট নেই। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই নিম্নচাপের জেরে প্রায় গোটা সপ্তাহই বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে হওয়া অফিস।
শনিবারেও চলবে বৃষ্টি। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি জেলায় বৃষ্টি হবে। তবে রবিবার থেকে কলকাতার আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে বৃষ্টিমুক্ত হওয়ার আর সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণিঝড় দানার দাপটে বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টি চলবে।
বৃষ্টির কারণে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা অনেকটা নেমে গিয়েছে। জানা গিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের রেশ কেটে গেলেই নাকি রাজ্যে শীত প্রবেশ করবে। ইতিমধ্যেই উত্তর ভারতের একাধিক জায়গায় তুষারপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। সিকিমের একাধিক জায়গায় তুষারপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। কাজেই কালীপুজো ভাইফোঁটা পেরোলেই শীতের পরিবেশ তৈরি হবে বাংলায়।












Click it and Unblock the Notifications