২০১৯ লোকসভা ভোটের ফল আমূল বদলে যেতে পারত! ভিভিপ্যাট নষ্টের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
২০১৯ লোকসভা ভোটের ফল আমূল বদলাতে পারত! ভিভিপ্যাট নষ্টের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ভিভিপ্যাটের ডেটা নষ্ট করে ফেলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল এবার দুই এনজিও। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে দুটি এনজিও অভিযোগ করেছে যে, এক বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন কমিশন ডেটা নষ্ট করে দিয়েছে। এটা নির্বাচনের বিধিভঙ্গের সামিল।

বিধিভঙ্গের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে
এবার নির্বাচন বিধিভঙ্গের এই অভিযোগ উঠল এবার খোদ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস বা এডিআর এবং কমন কজ নির্বাচব কমিশনের কাছে আরটিআই আবেদনের মাধ্যমে জানতে চেয়েছিল ভিভিপ্যাট সংক্রান্ত তথ্য। সেই আরটিআইয়ের জবাবেই ওই প্রতিক্রিয়া মিলেছে বলে দাবি দুই সংস্থার। এরপরই ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে বেঞ্চের সামনে অভিযোগ করা হয়।

এক বছরের মেয়াদের আগেই ভিভিপ্যাট বিনষ্ট
ভিভিপ্যাট বা ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেলের ডেটা সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এই সংরক্ষণের মেয়াদ থাকে এক বছর। কিন্তু ২০১৯-এর ভোটের পর এখনও এক বছর হয়নি। তার আগেই সমস্ত ডেটা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কেন ভিভিপ্যাটের সমস্ত ডেটা বিনষ্ট করা হল, তার তদন্ত দাবি করেছে সংস্থাদ্বয়। একইসঙ্গে নির্বাচন বিধিরও অভিযোগ এনেছে তারা।

ইসির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ দুই সংস্থা
বিচারপতি বি আর গাভাই এবং সূর্যকান্তের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেছিল, আমরা এখনও বিষয়টি খতিয়ে দেখিনি। এনজিওদের পক্ষে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বলেন, একটি আরটিআইয়ের জবাবে যে ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে তা দেখে এবং শুনে হতবাক হয়ে যেতে হয়। এর পিছনে গূঢ় কোনও রহস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। সেই জন্যই তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মোট ভোটার আর প্রদত্ত ভোটে বিস্তর গরমিল
বেঞ্চ এর আগে পিআইএল-এর পোল প্যানেলের কাছে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা এবং ৩৪৭টি আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা নিয়ে এক অভিযোগের তদন্তে নোটিশ জারি করেছিল। ইসি এই আবেদনে তার প্রতিক্রিয়া দেয়নি, চার সপ্তাহ পরে এর শুনানি হবে। এনজিওগুলি তাদের আর্জিতে ইসির কাছে ভবিষ্যতের সমস্ত নির্বাচনে শক্তিশালী পদ্ধতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে।

২০১৯ ভোটের ফলে বৈষম্য প্রকট অভিযোগে
বিশেষজ্ঞদের একটি দলের গবেষণামূলক তথ্য উদ্ধৃত করে এডিআর বলেছে যে, বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার সংখ্যার সঙ্গে প্রদত্ত ভোটের তথ্যো মারাত্মক ভিন্নতা ছিল। ইসি দ্বারা প্রাপ্ত ভোটারদের ভোটদানের তথ্য এবং গণনা করা ভোটের সংখ্যার মধ্যে ফারাক নজরে আসে। এই গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী ৫৪২টি নির্বাচনী এলাকার ভোটের ফলে বৈষম্য প্রকট হয়।












Click it and Unblock the Notifications