শপথ গ্রহণ হল না দুই বিধায়কের, দিল্লি চলে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস
আশঙ্কাই শেষপর্যন্ত সত্যি হল। শপথ গ্রহণ হল না নব নির্বাচিত দুই বিধায়কের। বিধানসভায় গেলেন না রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনে গিয়ে শপথ গ্রহণ করতে চাননি সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রেয়াত হোসেন। তাই নির্ধারিত সূচি মেনে শপথ গ্রহণ হল না এদিন।
কবে শপথ গ্রহণ হবে? তাই নিও জল্পনা রয়েছে। কারণ, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এদিন দুপুরেই রাজভবন থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর গাড়ি সাংবাদিকদের সামনে পর্যন্ত দাঁড়ায়নি।

রাজভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সেখানে শপথগ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি ছিল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দুই বিধায়কের জন্য অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু শপথ গ্রহণ করতে রাজভবনে যাননি দুই বিধায়ক।
বিধানসভায় সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়রা অপেক্ষা করেছেন। এক সময় তাঁরা বিধানসভার গাড়ি বারান্দারা সিঁড়িতে অবস্থান করতে থাকেন। বিকেল চারটে অবধি অবস্থান চলে। কিছুতেই তাঁরা রাজভবনে গিয়ে শপথ গ্রহণ করবেন না। এ কথা বুধবার জানিয়েছেন সায়ন্তিকা।
সিঁড়িতেই বসে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন নবনির্বাচিত দুই বিধায়ক। পরবর্তী সময়ে তৃণমূল মন্ত্রী, বিধায়করা তাঁদের পাশে বসেন। বিধানসভার পরিষদীয় মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় দুই বিধায়কের মাঝখানে বসেন। এছাড়াও মদন মিত্র, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিধায়করা অবস্থানে শামিল হন।
রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়। রাজ্যপাল সঠিক কাজ করেননি। বিধায়করা কেন রাজভবনে শপথ নেবেন? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আগামী দিনে এই বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন বিধানসভার স্পিকার। এই ইঙ্গিত তিনি করেছেন।
এরপর কবে শপথ গ্রহণ হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত যে আরও বাড়ল। এই কথা বলাই বাহুল্য। বিধানসভার পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ করা হয়? কোন দিকে জল গড়ায়? তাই এখন দেখার বিষয়।












Click it and Unblock the Notifications