Tufanganj Municipality: অনাস্থার পরদিনই পুরপ্রধানে 'আস্থা' ফিরল, তুফানগঞ্জে TMC কাউন্সিলরদের 'মুড স্যুইং'!
Tufanganj Municipality: ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। তারই মধ্যে 'মুড সুইং' তৃণমূল কাউন্সিলরদের (TMC Councilor)। তা অবশ্য শীর্ষ নেতৃত্বের ধমক খেয়ে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার অনাস্থা (No Confidence Motion) এনেছিলেন যে কাউন্সিলররা, শুক্রবার তারাই বললেন, পৌরপ্রধানে আস্থা ফিরেছে। সবটাই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, দাবি তাঁদের।
তুফানগঞ্জ পৌরসভার পৌরপ্রধান কৃষ্ণা ইশোরের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার অনাস্থা প্রস্তাব আনেন ১০ তৃণমূল কাউন্সিলর। শাসকদলের পৌরপ্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরদের অনাস্থায় বেজায় অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল। জেলার রাজনীতিতে জোর চর্চাও শুরু হয় এনিয়ে। দেরি না করে তড়িঘড়ি পুরসভার ১২ কাউন্সিলরকে নিয়ে বৈঠকে বসেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক।

আর তাতেই গলল বরফ। শুক্রবার জেলা সভাপতি কাউন্সিলরদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, পুরপ্রধানকে সরানো হচ্ছে না। কৃষ্ণা ইশোরকেই চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনা হবে। কাউন্সিলররাও সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। জেলা সভাপতির দাবি, কাউন্সিলরদের সঙ্গে চেয়ারম্যানের যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, তা মিটে গিয়েছে। এখন তারা আর অনাস্থা চাইছেন না।
অনাস্থা প্রস্তাবে ১০-১ ভোটে পরাজিত হন চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা ইশোর। আগামী ১৮ তারিখের পর অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করা কথা জানিয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলররা। যদিও জেলা সভাপতির দ্রুত পদক্ষেপে মানভঞ্জন কাউন্সিলরদের। জেলা সভাপতি বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি চান আমরা সকলে মিলে একসঙ্গে ভাইবোনের মতো মিলে মানুষের জন্য কাজ করি।
নিজেদের ইগো দূরে সরিয়ে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026) রয়েছে। তা উল্লেখ করে জেলা সভাপতির স্পষ্ট বার্তা, তুফানগঞ্জ বিধানসভায় তৃণমূল পিছিয়ে। এই বিধানসভা কেন্দ্রে আমরা লোকসভা ভোটে ৭ হাজার ভোটে হেরেছি। তার মধ্যে তুফানগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় ৩৮০০ ভোটে হেরেছিলাম। ফলে সেই ঘাটতি পূরণ করতে ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে সবাইকে একসঙ্গে মাঠে নামতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications