হুগলিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন যুবকের মৃত্যু, আহত আরও কয়েকজন
চতুর্থীর রাতে হুগলিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঠাকুর আনার সময় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। আরও তিনজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, যাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার গভীর রাতে হুগলির চন্দননগর রেল ওভারব্রিজের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন সুগন্ধার শংকরবাটি এলাকার ভাস্কর দেবধারা (৩০), চন্দননগরের কাঁটাপুকুরের প্রীতম চক্রবর্তী (৩১) এবং স্বপন দে (৩৯)।

জানা গেছে, মোট ছয়জন একটি চারচাকা গাড়িতে করে ঠাকুর আনার পর ফিরছিলেন। ফেরার পথে দ্রুত গতির গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে রাখা ইটের দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা মারে।
দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে দু'জনের মৃত্যু হয়। বাকি চারজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে আরও একজনের প্রাণহানি ঘটে।
আহতদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হওয়ায় তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকি দুজন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে চন্দননগর ও পোলবা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা হয়তো নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন, কারণ দুর্ঘটনাস্থল থেকে মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, "গাড়িটি খুব দ্রুত গতিতে এসে দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা মারে।" শংকরবাটি বারোয়ারির সদস্যরা নিহতদের সঙ্গেই ছিলেন। ঠাকুর গ্রামের বারোয়ারিতে পৌঁছে গেলেও, তাঁদের ফেরার খবর না পেয়ে পরবর্তীতে ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানতে পারেন অন্যান্য সদস্যরা।
পুজোর আনন্দে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications