তৃণমূলের বিধানসভা কমিটি, ভোটের প্রস্তুতি নাকি নেতৃত্বের ভারসাম্য?
সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ করল বিধানসভা ভিত্তিক নির্বাচন কমিটি। রবিবার সর্বভারতীয় স্তরে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে জেলাভিত্তিক নির্বাচনী কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে এই পদক্ষেপের সঙ্গে সঙ্গে উঠেছে প্রশ্ন, দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী কলহ সামলানোর জন্য কি এভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছে? তৃণমূল নেতৃত্ব এই ব্যাখ্যা স্বীকার করতে নারাজ, কিন্তু তারা মনে করে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধুমাত্র নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ।

বাঁকুড়ার শালতোড়া (২৯), ছাতনা (২০), রানিবাঁধ (৩৬), রায়পুর (২৯), বাঁকুড়া ব্লক ও টাউন (৬০), বিষ্ণুপুর বড়জোড়া (৩২), কোতুলপুর (২৮), সোনামুখী (২৬) জন করে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
বীরভূমের সিউড়ি (১৭), বোলপুর (১১), লাভপুর (৯), ময়ূরেশ্বর (৪৬), রামপুরহাট (৫২), নলহটি (৮) জন করে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নবদ্বীপ (১৬), শান্তিপুর (১৯), রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম (৯), কৃষ্ণগঞ্জ (৩১), রানাঘাট উত্তর-পূর্ব (৫৫), রানাঘাট দক্ষিণ (১১), চাকদহ (১৬), কল্যাণী (১৩), হরিণঘাটা (১৬) জন করে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
হাবরা (৩৩), বারাসাত (২১), নৈহাটি (১৭), ভাটপাড়া (১৮), জগদ্দল (২৪), নোয়াপাড়া (২০), ব্যারাকপুর (১৮), খড়দহ (৩৯), পানিহাটি (২৭), কেশিয়াড়ি (২১), নারায়ণগড় (২৫), মেদিনীপুর (২৭), সাঁকরাইল (১০), উলুবেড়িয়া পূর্ব (৩০), উলুবেড়িয়া উত্তর (২২), শ্যামপুর (২১), আমতা (১৪)
বনগাঁ দক্ষিণ (১৭), গাইঘাটা (১৪), স্বরূপনগর (২৬) জন করে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
তৃণমূল রাজ্য সংগঠনের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার স্পষ্ট করে বলেন, এত বড় সংখ্যায় নেতা অন্তর্ভুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটপ্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ও মসৃণ পরিচালনা। তিনি ব্যাখ্যা করেন, "প্রতিটি বিধানসভায় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে আমাদের ১৫ জন করে বুথ স্তরের কর্মী রয়েছেন। অর্থাৎ এক বিধানসভায় প্রায় ৪,৫০০ কর্মী ভোট প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকেন। এছাড়া অঞ্চল, ব্লক ও জেলা কমিটিও রয়েছে। তাই নির্বাচনের সুষ্ঠু ও সমন্বিত পরিচালনার জন্য সকল এলাকা থেকে নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।"
অর্থাৎ, এই কমিটি গঠন কেবল ভোটযজ্ঞের প্রস্তুতি, গোষ্ঠী সংঘাত নিয়ন্ত্রণ নয় ঠিক এমনটাই দল বলছে।












Click it and Unblock the Notifications