বিজেপিতে যোগদানের পরই ভোলবদল! জেলা পরিষদের কর্তৃত্ব দাবিতে পাল্টা তৃণমূলের
তৃণমূলের ঘর ভেঙে ১০ সদস্যকে বিজেপিতে যোগদান করিয়েছেন মুকুল রায়-দিলীপ ঘোষরা। তারপরই ১৮ আসনবিশিষ্ট দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের কর্তৃত্ব কার হাতে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে পড়েছে।
তৃণমূলের ঘর ভেঙে ১০ সদস্যকে বিজেপিতে যোগদান করিয়েছেন মুকুল রায়-দিলীপ ঘোষরা। তারপরই ১৮ আসনবিশিষ্ট দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের কর্তৃত্ব কার হাতে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে পড়েছে। বিজেপি দাবি করছে, তৃণমূলের হাত থেকে জেলা পরিষদ তাঁরা ছিনিয়ে নিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, ওই জেলা পরিষদের কর্তৃত্ব তাঁদেরই হাতে।

তৃণমূলের জরুরি বৈঠকে উল্টো দাবি
তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিজেপিতে যোগদান করার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। সংখ্যার বিচারে কার্যত জেলাপরিষদের কর্তৃত্ব বিজেপির হাতে চলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জেলা নেতৃত্বে ও জেলা পরিষদের বাকি সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করে উল্টো দাবি করে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান জেলা সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষ।

ফের তৃণমূলে ফিরছেন দলত্যাগীরা
পঞ্চায়েত আইন পর্যালোচনা করে বৈঠক শেষে অর্পিতা ঘোষ বলেন, বিজেপি নেতারা দিবাস্বপ্ন দেখছেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ তৃণমূলের দখলেই ছিল, তৃণমূলের দখলেই রয়েছে। তাঁর দাবি, যে দশজন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই দিল্লি থেকে জেলায় ফিরে আবার তৃণমূলের যোগ দিতে চলেছেন।

পাল্টা দাবিতে বিজেপির হুঙ্কার তৃণমূলকে
বিজেপি জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার পাল্টা দিয়েছেন তৃণমূল সভাপতি অর্পিতা ঘোষকে। তিনি বলেন, তাঁদের দিবাস্বপ্নই সত্যি হতে চলেছে। জেলা পরিষদের দখল তাঁদের হাতেই উঠছে। ১০ জন তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন, বাকিরাও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শীঘ্রই। তাঁরা নিত্য যোগাযোগ রাখছেন বিজেপির সঙ্গে।

জেলা পরিষদের নতুন নেতা নির্বাচিত
এদিনের বৈঠক শেষে জেলপরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ প্রবীর রায়কে দলনেতা মনোনীত করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তিনিই এখন জেলা পরিষদের কাজ দেখভাল করবেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলপরিষদের সহকারী সভাধিপতি ললিতা টিগ্গা ও সাতজন সদস্য। এছাড়াও ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী শংকর চক্রবর্তী, রাষ্ট্রমন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা এবং আইটিটিইউসির জেলা সভাপতি মজিরউদ্দীন মণ্ডল প্রমুখ।

আস্থা ভোটেই প্রমাণ হবে জেলা পরিষদ কার
দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলাপরিষদের ক্ষমতা ধরে থাকতে জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষের নেতৃত্বে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, জেলপরিষদ তাদেরই রয়েছে। যতই বিজেপি দাবি করুক, তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করে জেলা পরিষদ তাঁদেরই। আস্থা ভোট হলেই তা প্রমাণ হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications