ভোট টানার অঙ্কে ঢাকার মন্দিরে পুজো দিলেন! কিন্তু আজ কেন চুপ? বাংলাদেশের ঘটনাতে মোদীকে তোপ তৃণমূলের
গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত বাংলাদেশ। সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনায় মুখ পুড়েছে হাসিনা সরকারের। গোটা দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। বিশ্বের একাধিক দেশে থাকা ইস্কোনের মন্দির বাংলাদেশের ঘটনায় গর্জে উঠেছে। আস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন
গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত বাংলাদেশ। সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনায় মুখ পুড়েছে হাসিনা সরকারের। গোটা দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। বিশ্বের একাধিক দেশে থাকা ইস্কোনের মন্দির বাংলাদেশের ঘটনায় গর্জে উঠেছে। আস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন মহারাজরা। যার আঁচ এসে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও।

কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই এর প্রতিবাদ চলছে। কলকাতা সহ জেলার বিভিন্ন ইস্কন মন্দিরে সেবায়েতরা রাস্তায় নেমে ক্ষোভ জানাচ্ছেন। বাংলাদেশের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ময়দানে নেমে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। কেন এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও মন্তব্য করছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট ব্যাঙ্কের জন্যে কিছু বলছেন না বলেও দাই তাঁর। আর এই অবস্থায় পাল্টা মোদীকে আক্রমণ তৃণমূলের। বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কেন নিস্ক্রিয় প্রধানমন্ত্রী মোদী? প্রশ্ন তৃণমূলের মুখপত্র 'জাগো বাংলা'র সম্পাদকীয়তে।
একেবারে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে টার্গেট করে এই সম্পাদকীয় লেখা রয়েছে। এমনকি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর চুপ থাকার কারণ কি রাজনীতি? এমন প্রশ্নও তোলা হয়েছে জাগো বাংলার ওই প্রতিবেদনে।
''বাংলাদেশের হৃদয় হতে'', নামক সম্পাদকীয়তে বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে মোদীকে তীব্র আক্রমণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের একটা জায়গাতে লেখা হচ্ছে, '' ভারতের যে প্রধানমন্ত্রী ভোট টানার অঙ্কে বাংলাদেশে পুজো দিতে গিয়ে প্রচার সারলেন, তিনি প্রথম থেকে নিষ্ক্রিয় কেন? নাকি বাংলাদেশের হিন্দুনিগ্রহ দেখাতে পারলেন, সেই সুড়সুড়ি দিয়ে এই বাংলায় হিন্দু-আবেগ উসকে ভোট করার চেষ্টা?'' প্রশ্ন তৃণমূলের।
শুধু মোদী নয়, বিজেপিকেও তীব্র আক্রমণ করা হয়েছে জাগো বাংলাতে। বাংলাদেশের এই ঘটনাতে পথে নেমেছে বিজেপি। আর এই ধরনের রাজনীতিকে শকুনের রাজনীতি বলেও তোপ দাগা হয়েছে শাসকদলের এই মুখপত্রে।
তবে বাংলাদেশের এই ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে। তবে মুখপত্রের শুরুতেই বাংলাদেশের এই ঘটনাকে পরিকলিত ঘটনা হিসাবেই দেখছে তৃণমূল। তবে এর পিছনে হিন্দু-মুসলিম কোনও সম্পর্ক নেই বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের ওই মুখপত্রতে। যে ভাবে মুসলিম সংগঠনগুলি এই ঘটনার পর এগিয়ে এসেছে তাতে আশা জাগছে বলেও দাবি তৃণমূলের।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে এবার সরব বাংলার এমপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শুক্রবার একটি চিঠিতে বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর হওয়া অত্যাচার ও মা দুর্গার মূর্তি ভাঙা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিস্তারিত লিখে জানান শান্তনু৷ একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সংখ্যালঘু সুরক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন৷ পাশাপাশি কেন্দ্রকে এই বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীও। তবে তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, হিন্দু মেয়ে আওয়াজ তুললেন ভবানীপুর ভোটের আগে। কিন্তু এখন কেন চুপ? ভোট ব্যাঙ্কের কারনে? আল্টা তৃণমূল নেত্রীকে প্রশ্ন বিরোধী দলনেতার।












Click it and Unblock the Notifications