রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার নয়, ২০২০ সালের পুনরাবৃত্তিতে বিতর্ক
রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার নয়, ২০২০ সালের পুনরাবৃত্তিতে বিতর্ক
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বাজেট বক্তৃতার লাইন সম্প্রসারণ সম্ভব নয় এবার। বিধানসভার সচিবালয় থেকে রাজভবনেকে এ কথা জানিয়ে দেওয়া হল। লিখিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনার কারণে এবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বাজেট বক্তৃতার সম্প্রচার হবে না। রাজভবন থেকে রাজ্যপালের বক্তব্য সরাসরি সম্প্রচারের আর্জি জানানো হয়।

রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
বিধানসভা থেকে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রমণের কারণে এবার বিধানসভায় সংবাদমাদ্যমনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সেই কারণে রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সম্প্রচার করা সম্ভব হবে না। সুষ্ঠুভাবে অধিবেশ চালাতে বিধায়ক ও বিধানসভায় কর্মরতদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালেও রাজ্যপালের ভাষণ সম্প্রচার হয়নি
আগামী ২ জুলাই বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ তা শুরু হবে রাজ্যপালের ভাষণ দিয়েই। উল্লেখ্য, ২০২০ সালেও রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সম্প্রচার করা হয়নি। একই কারণে এবারও সম্ভব হচ্ছে না। তবে ভাষণ সম্প্রচারের পিছনে কোভিডই একমাত্র কারণ নাকি ঠান্ডা লড়াইের ফলে এমন সিদ্ধান্ত তা নিয়ে বিতর্ক বেধেছে।

রাজ্য ও রাজ্যপালের সংঘাত চরমে বাজেটের মুখে
রাজ্য ও রাজ্যপালের সংঘাত চলছে প্রথম থেকেই। বর্তমানে তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিধানসভার বাজেটের মুখে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথও শুরু হয়েছে। এই বাকযুদ্ধে সম্প্রতি হাওলা জৈন মামলার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। আর এর পিছনে রাজ্য সরকারের তৈরি করা খসড়া পড়তে রাজ্যপালের আপত্তিই কারণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে তরজা তৃণমূল-বিজেপির
রাজ্যপাল অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের তৈরি করে দেওয়া খসড়ায় যা লেখা আছে, তা সত্য নয়। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা পরিষদীয় বিধি অনুযায়ী রাজ্যপাল সরকারের তৈরি খসড়া পড়তে বাধ্য। তবে রাজ্যপাল চাইলে, তাঁর বক্তব্য বা পর্যবেক্ষণ জুড়ে দিতে পারেন। এ বিষয়ে জগদীপ ধনখড়ের তীব্র সমালোচনা করেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। পাল্টা দেন বিজেপি নেতা প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।












Click it and Unblock the Notifications