silver coins: মাটির বাড়ি ভাঙতেই বেরিয়ে এল প্রাচীন রুপোর মুদ্রা! কোথায় হল এই ঘটনা?
মাটির বাড়ি ভাঙা হচ্ছিল। হঠাৎই শ্রমিকদের হাতে এল গোল চাকতি। কয়েনের আকারের চাকতির ওজনও আছে। ঘসে মাটি তুলতেই মনে হল, স্বাভাবিক কয়েন না। তাহলে রুপোর মুদ্রা কি? আর সংখ্যাতেও তো সেগুলি অনেক৷
রুপোর মুদ্রা পাওয়া গিয়েছে। এই খবর কিছু সময়ের মধ্যেই রটে গিয়েছিল গ্রামে। কার্যত গোটা গ্রাম হামলে পড়েছিল ওই এলাকায়। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি এলাকার৷ মাটির বাড়ি ভাঙার কাজ চলছিল৷ সেইসময় ওই প্রাচীন মুদ্রা পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি কি আদৌ রুপোর মুদ্রা? সেইসব জানার জন্য মুদ্রাগুলিকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার বোখরা গ্রাম পঞ্চায়েত। ওই এলাকার প্রয়াত ইমাদ আলি মোল্লার মাটির বাড়ি ভেঙে উদ্ধার হল প্রাচীন রুপোর মুদ্রা। আর এই প্রাচীন রুপোর মুদ্রা উদ্ধার হতেই গ্রাম জুড়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গিয়েছে, এই প্রয়াত চিকিৎসক ইমাদ আলি মোল্লা ও তার ভাইয়ের এই পৈত্রিক মাটির বাড়ি ছিল সাগরদিঘির বোখারা গ্রামে। এখন ওই মাটির বাড়ি ধ্বংসাবশেষ। সেজন্য পরিবারের অন্যান্যরা সিদ্ধান্ত নেন ওই ধ্বংসাবশেষ সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হবে।
ওই মাটির বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয় গতকাল রবিবার থেকে। বাড়িটি ভাঙার সময় উদ্ধার হয় বেশ কিছু রুপোর মুদ্রা। আর এই ঘটনা জানাজানি হতেই গ্রামজুড়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার জেরে খবর দেওয়া হয় সাগরদিঘি থানার পুলিশকে। সাগরদিঘি থানার পুলিশ এসে মুদ্রাগুলো সংগ্রহ করেছে।
শ্রমিকরা মাটি কাটার সময় সেগুলি পায়। ঠিক কত পরিমাণ মুদ্রা পাওয়া গিয়েছে, তা জানা যায়নি। কত বছরের পুরনো এইসব মুদ্রা? সেগুলো কি সত্যিই রুপোর? সেইসব তথ্য জানার প্রয়োজন আছে। মুদ্রাগুলি সংগ্রহশালায় পাঠিয়ে সেগুলো পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
রুপোর ওইসব মুদ্রা ১৮৬২ ও ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই তথ্য দিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রাচীন রুপোর কয়েন উদ্ধার করা হয়েছে। যে সমস্ত শ্রমিকরা কাজ করছিলেন, তারা এই রুপোর কয়েন সংগ্রহ করেছেন। পরিবারের অন্য সদস্য চামেলী বিবি জানান, কোনও রুপোর মুদ্রা উদ্ধার হয়নি। গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
পরীক্ষার পরই জানা যাবে, মুদ্রাগুলি রুপোর কী না। আরও কি মুদ্রা পাওয়া যেতে পারে? সেই দিকেও নজর রাখছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications