আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন মমতা, ব্যবস্থা নিক কমিশন, দাবি শুভেন্দুর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি লেটারহেড ব্যবহার করে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আজ এই গুরুতর অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
তিনি জানান, ভোটপ্রক্রিয়া চলাকালীন প্রশাসনিক ও দলীয় কাজের মধ্যে স্পষ্ট বিভেদ থাকা জরুরি।

শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, "আচরণবিধি চালু হলে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্যাডে রাজনৈতিক চিঠি লিখতে পারেন না। তৃণমূল কংগ্রেসের প্যাডে যত খুশি লিখুন... কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর প্যাড ব্যবহার এমসিসি লঙ্ঘন।"
বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কড়া চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে "গভীর হতাশা" জানান। এটি সিইসি-কে লেখা তাঁর অষ্টম চিঠি। এতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বিধানসভা ঘোষণার পর কমিশন "একতরফাভাবে" মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, একাধিক জেলাশাসক ও পুলিশ কর্মকর্তা-সহ রাজ্যের সিনিয়র আধিকারিকদের বদলি করেছে।
শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর প্যাড ব্যবহারের সমালোচনা করে বলেন, "তিনি কেন মুখ্যমন্ত্রীর প্যাড ব্যবহার করছেন? নির্বাচন কমিশনের তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"
তিনি সরকারি স্থান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও হোর্ডিং সরানোরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন ঘোষণার অনেক দিন পরেও এগুলি সরানো হয়নি, যদিও আদর্শ আচরণবিধি ঘোষণার পরপরই কার্যকর হয়।
শুভেন্দু এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, "নিয়ম অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ছবি (সরকারি হোর্ডিং থেকে) সরানো হয়নি কেন? নির্বাচন কমিশন কোন ভয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই সুযোগ দিচ্ছে?"
তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এতে ধর্ষণ বা আড়াই থেকে সাড়ে তিন বছর পর্যন্ত জেল খাটা ব্যক্তিরাও রয়েছেন। তাঁর দাবি, স্বাধীনতার পর কোনও রাজনৈতিক দল এমন তালিকা প্রকাশ করেনি এবং এর ফলে তৃণমূলের অন্দরেও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications