Suvendu Adhikari: মমতার সফরের পর শুভেন্দুও যাবেন সন্দেশখালি, সোমবার ফাঁস করবেন বড় কেলেঙ্কারি
Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার যাচ্ছেন সন্দেশখালি। তার পরদিনই সন্দেশখালিতে জনসংযোগে যাওয়ার কথা ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মমতার সফরে সন্দেশখালিতে তৃণমূলের কোনও লাভ হবে না বলে দাবি শুভেন্দুর। সোমবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁসেরও হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু।

সন্দেশখালিতে বেশ কিছু উপভোক্তাকে সরকারি পরিষেবা প্রদানের কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, কোনও লাভ হবে না। গত লোকসভা ভোটে সন্দেশখালিতে বিজেপি ৭ হাজার ভোটে লিড পেয়েছে। যেখানে ২০২১-এ সুকুমার মাহাত ৭০ হাজার ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। বসিরহাট আমরা জিততে পারিনি মুসলিম ভোট প্রায় ৬০ শতাংশ থাকায়।
শুভেন্দুর কথায়, মিনাখাঁ, বাদুড়িয়া, হাড়োয়া, বসিরহাটে যেখানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু সেখানে হিন্দুদের ভোট দিতে যেতে দেওয়া হয়নি, হয় না। মুখ্যমন্ত্রী যেদিন সন্দেশখালি যাবেন তার পরের দিন আমি যাব। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মতো অত টাকা খরচ করতে পারব না, কারণ ওটা সরকারের টাকা। তবে জনসংযোগ সারব। কঠিন সময়ে সন্দেশখালির পাশে ছিলাম, আজও আছি। ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বুথে-বুথে, গ্রামে-গ্রামে।
মমতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে শুভেন্দু বলেন, সন্দেশখালিতে হিন্দুদের, জনজাতিদের ১ কোটি টাকা করে মুখ্যমন্ত্রী দিতে পারেন, অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারেন। গরিব মানুষ তা নিতে পারেন। তবে কোনও হিন্দু, তফসিলি, জনজাতিরা তৃণমূলকে ভোট দেবে না। পিঠা তৈরি করা শেখ শাহজাহান ও তার কোম্পানি ভোট দিতে পারে। তবে বিজেপি আরও বেশি ভোটে জিতবে। বসিরহাটে লোকসভা নির্বাচন নিয়ে যে মামলা চলছে তাতে রেখা পাত্রর এমপি হওয়া সময়ের অপেক্ষা বলেও জানান শুভেন্দু।
হরিণঘাটার তৃণমূল নেতা জাল নথি করে পাসপোর্ট করানোয় গ্রেফতার হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, মুর্শিদাবাদে যে জঙ্গিকে অসম ধরেছে, তার এপিক কার্ড রয়েছে, দুবার ভোট দিয়েছে। যে বিডিও নাম তুলেছিলেন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুভেন্দুর দাবি, বাংলাদেশ সীমান্ত আঠে এমন ৯টা এলাকায় তৃণমূল নেতারা স্মাগলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। কাঁটাতারের জন্য জমি দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। কীভাবে কেন্দ্রকে, বিএসএফকে অসহযোগিতা করে সীমান্ত শত ছিদ্র করে রাখা হয়েছে তা ভয়ঙ্কর। সেই তথ্য সোমবার বিস্তারিতভাবে সামনে আনব। সমস্ত ভারতপ্রেমী নাগরিকের তা দেখা উচিত।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, ভারতপ্রেমী নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে বলব। যোগী আদিত্যনাথ, মানিক সাহা, হিমন্ত বিশ্ব শর্মাদের মতো শক্তিশালী সরকার তৈরি করা উচিত, যাতে ভারতবিরোধী শক্তিকে বাংলা থেকে নিকেশ করা যায়। পশ্চিমবঙ্গ সারা দেশে জঙ্গি সাপ্লাই দেওয়ার হাবে পরিণত হয়েছে। জঙ্গিদের সাপ্লাই লাইন। বাসন্তী হাইওয়ে-সহ সহ বিস্তীর্ণ এলাকা হাতের বাইরে। এই অবস্থার সমাধান করতেই হবে।












Click it and Unblock the Notifications