রবিবার রাজ্যে কালবৈশাখীর সতর্কতা, বৃষ্টির সতর্কতা ৬ জেলায়
গত কয়েক দিনের বিরতির পর ফের দক্ষিণবঙ্গে বিকেলের দিকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট দেখা গেছে। সঙ্গে কখনও কখনও শিলাবৃষ্টিও ক্ষণিকের আতঙ্ক তৈরি করছে। একই সময়ে উত্তরবঙ্গেও ঝড়, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা জারি হয়েছে। আগামীকালও বেশ কিছু জেলায় কালবৈশাখী আঘাত হানার পূর্বাভাস রয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমি ঝঞ্ঝা একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা হিসেবে ঝাড়খণ্ডের উপরে অবস্থান করছে। আরেকটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গ থেকে তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুইয়ের প্রভাবে রাজ্যে গত রাত থেকে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াও বইতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। তবে আগামীকাল বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রবিবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়া এই ছয় জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বাকি জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। বিশেষ করে নদিয়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝড় বইতে পারে। পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় সোমবার ঝড়বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। তবে বুধবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হতে শুরু করবে বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস।
উত্তরবঙ্গও বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপটে বাদ যাচ্ছে না। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই জেলাগুলোতে বৃষ্টি, শিলা ও বজ্রবিদ্যুৎ বেশি তীব্র হবে। ঝড়ের গতিবেগ ৪০ থেকে ৫০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাহাড়ি এলাকার জন্য ধস নামার সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রবিবার ও সোমবার যাত্রী ও কৃষক সহ সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। হালকা ঝড় বৃষ্টিতে ঘর বা গাছের নিচে অবস্থান এড়াতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications