ওরা ভিতরেই থাক, আমরা ‘তালা’ দেব বাইরে থেকে! পঞ্চায়েতে নিদান দিলেন মন্ত্রী
পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তায় কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করল রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রস্তাব, প্রতি বুথে একজন সশস্ত্র পুলিশ ও একজন লাঠিধারী পুলিশ থাকবে।
বিরোধীদের রাস্তা দেখালেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে এক জনসভায় তিনি বলেন, বিরোধীরা এখন আদালতমুখী। ময়দানে রয়েছে একমাত্র তৃণমূল। ওরা যেভাবে আদালতে দৌড়চ্ছে, তাতে ওদের পাকাপাকি জায়গা করে দিতে হবে আদালতেই। ওরা ভিতরেই থাক, আমরা তালা দেব বাইরে থেকে!

এদিন জনসভায় দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতমন্ত্রী বলেন, ভোটের দিনও ওঁরা আদালতে আটকে থাকবেন। ওঁদের দৌড় বোঝা হয়ে গিয়েছে। দৌড় ওঁদের আদালত পর্যন্ত, মানুষের আদালতে ওঁরা আসতে ভয় পান। ভোটের দিনও তাই ওঁদের আদালতে আটকে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দিতে হবে। ভোটের ময়দানে থাকবেন না ওঁরা। ভোটের ময়দানে থাকবে তৃণমূল কংগ্রেসই। বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলের পক্ষ থেকে একের পর এক মামলা প্রসঙ্গে এদিন বিরোধীদের এই ভাষাতেই কটাক্ষ করেন সুব্রতবাবু।
পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পর্ব থেকেই একের পর এক মামলায় আইনি-জটে আটকে পড়েছে পঞ্চায়েত ভোট। শেষমেশ ১৪ মে একদফায় ভোট ঘোষণা হলেও, ছদিন আগেও তা চূড়ান্ত হয়নি। চরম অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে পঞ্চায়েত ভোটকে। এই অবস্থায় ভোট যখন অনিশ্চিত, তখন বিরোধীদের একহাত নিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মানুষের সমর্থন হারিয়েছে বিরোধীরা। ফলে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ভোটের ময়দান থেকে ছিটকে গিয়েছে। আদালতকে আশ্রয় করে বিরোধী দলের নেতানেত্রীরা টিকে থাকতে চাইছেন। শেষমেশ তো ভোটের ময়দানে আসতেই হবে! কিন্তু বিরোধীদের যা অবস্থা, ভোটের দিনও না ওঁরা আদালতেই আটকে থাকে। ওইদিনও দেখা যাবে ওঁরা আদালতে। আর ওঁদের আদালতেই আটকে রাখতে হবে। ময়দানে থাকবে তৃণমূল কংগ্রেস।
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি কে একটা ভোট দেওয়া অর্থ উন্নয়নকে পিছিয়ে দেওয়া। কেউ উন্নয়নকে পিছিয়ে দেবেন না। যে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চলছে রাজ্যজুড়ে সেই উন্নয়নের সাথী হন সবাই। এই আমাদের আবেদন। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের জয়যুক্ত করুন। বাংলাকে সোনার বাংলা গড়ে তুলুন।












Click it and Unblock the Notifications