জঙ্গলমহলের দায়িত্ব নিয়েই ‘অশ্বমেধের ঘোড়া’ ছুটিয়েছেন শুভেন্দু! মূল হাতিয়ার জনসংযোগ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দেওয়ার পরই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ঝাড়গ্রাম থেকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া থেকে মেদিনীপুর- সর্বত্রই ছুটে বেড়াচ্ছেন শুভেন্দু।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দেওয়ার পরই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ঝাড়গ্রাম থেকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া থেকে মেদিনীপুর- সর্বত্রই ছুটে বেড়াচ্ছেন শুভেন্দু। আর শুধু রাস্তায় নেমেই তিনি দখল করে নিচ্ছেন একের পর এক এলাকা। শুভেন্দুর দাবি, ইতিমধ্যেই ৯০ শতাংশ এলাকা উদ্ধার করা হয়ে গিয়েছে।

জেলায় জেলায় ছুটে চলছেন শুভেন্দু
জঙ্গলমহলের জেলায় জেলায় ছুটে চলছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাস্তায় মিছিল করে কর্মীদের চাঙ্গা করার চেষ্টায় নেমেছেন। সাড়াও পাচ্ছেন ভালো। কখনও কেশপুর, কখনও গড়বেতা, কখনও বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গায় ছুটে কর্মীদের ফিরিয়ে আনছেন। সাংগঠনিক বৈঠক করে ফের জোয়ার আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন তৃণমূলে।

মেদিনীপুরে কর্মীদের মনোবল ফেরাতে
শুভেন্দুর কথায়, এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর পিছনে প্রাক্তন সিপিএম কর্মীরাই রয়েছেন। তাঁরা বিজেপির ঝান্ডা হাতে নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এসব বরদাস্ত করা হবে না মেদিনীপুর জেলায়। তিনিও মেদিনীপুরের ছেলে, কেশপুরের মাটিকে আর তিনি রক্তাক্ত হতে দেবেন না। শনিবার শালবনি থেকে মণ্ডলকুপি পর্যন্ত পদযাত্রা করে কর্মীদের মনোবল বাড়িয়ে তুলেছেন।

পূর্ণ বিশ্বাস, মানুষে আস্থা অর্জনে
শুভেন্দু বলেন, কেশপুরে চারটি এলাকায় পার্টি অফিসে তাণ্ডব চালিয়েছিল বিজেপির গুন্ডারা। প্রাক্তন সিপিএম কর্মীরাই গেরুয়া জমা পরে এসব করে বেড়াচ্ছেন। সেই হার্মাদ বাহিনীর তাণ্ডবের জেরে কর্মীরা ঘরছাড়া। শুভেন্দু বলেন, বিধানসভায় নির্বাচনের এখনও অনেক বাকি। বাংলার মানুষ যদি চান, আবার আমরা নিশ্চয়ই ফিরব। আমার পূর্ণ বিশ্বাস, মানুষ তাঁদের উপর আস্থা রাখবেন। তাঁর কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু-হাত ভরে মানুষকে পরিষেবা দিয়েছেন। বাংলার উন্নয়ন করেছেন। তাঁর সেই কাজ বিফলে যাবে না।












Click it and Unblock the Notifications