লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতে পারলে রাজ্য সরকারই মেটাবে একশো দিনের টাকা, অভিষেকের ঘোষণা
কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের দাবি মেনে কেন্দ্র টাকা না দিলে কী হবে? সেই বক্তব্য উঠে এল অভিষেকের গলায়। বাংলার মানুষকে রাজ্য সরকার প্রয়োজনে টাকা দেবে! এদিন এ কথাই জানালেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
একশো দিনের টাকা নিয়ে রীতিমতো লড়াই শুরু হয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে। দিল্লিতে দুদিনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবনের সামনেও পাঁচদিনের ধরনা কর্মসূচি চলে। কিন্তু তারপরেও কেন্দ্রের থেকে পরিষ্কার কোনও বার্তা পাওয়া যায়নি।

এদিকে পুজো শেষ হলেই অক্টোবর মাস বিদায় নেবে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারকে সময় দিয়েছে ।এরপর ফের তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কর্মসূচি শুরু হয়ে যাবে। তাহলে কি ফের ধরনায় বসবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ডায়মন্ড হারবারে সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি ছিল। কেন্দ্রের বঞ্চনার বিষয় তার গলাতে ফের উঠে আসে। তবে অন্য একটি বক্তব্য যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ। বাংলার সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিচ্ছে। সেই টাকা দিতে পারলে বকেয়া টাকাও রাজ্য সরকার দিতে পারবে। এমনই বক্তব্য শোনা গেল অভিষেকের মুখে।
কেন্দ্রের বঞ্চনা বন্ধ না হলে রাজ্য সরকার বাংলার মানুষের পাওনা টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। সে ক্ষেত্রে বাংলার মা মাটি মানুষের সরকার এই ১০০ দিনের কাজের টাকা মেটাবে। এমনই ইঙ্গিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়েছেন।
২ বছরে রাজ্য সরকার ৩৭ হাজার কোটি টাকা বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে দেয়। এই টাকা দিতে পারলে পারিশ্রমিকের টাকা দেওয়ারও বন্দোবস্ত করবে সরকার। এদিন জোর গলায় এমনই কথা বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছয় মাসের মধ্যে বকেয়া টাকার ব্যবস্থা করা হবে। হয় কেন্দ্রের থেকে প্রাপ্য টাকা নিয়ে আসা হবে। নয়তো রাজ্য সরকার বকেয়া মেটাবে।
এর আগে কেন্দ্র টাকা না দিলে বকেয়া মেটানোর জন্য তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের একমাসের মাইনে দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও বলেছিলেন অভিষেক। শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকারকে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হবে। এমনও তিনি বলেছিলেন। প্রশ্ন হল, তাহলে কি রাজ্য সরকারের দিকেই এবার বকেয়া মেটানোর দায়িত্ব যেতে চলেছে?
পুজোর মরসুমে ডায়মন্ড হারবারে নিজের কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কার্যত লোকসভা ভোটের প্রচার বার্তার আঁচও পাওয়া গেল তার গলায়। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।












Click it and Unblock the Notifications