গাড়িচালকদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি
তোলাবাজি নিত্যসঙ্গী। তোলাবাজির প্রতিবাদ করলে জোটে মারধর গাড়ি ভাঙচুর। নাজেহাল গাড়ি চালকরা। দীর্ঘক্ষণ গাড়িচালকদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি।
তোলাবাজি নিত্যসঙ্গী। তোলাবাজির প্রতিবাদ করলে জোটে মারধর গাড়ি ভাঙচুর। নাজেহাল গাড়ি চালকরা। দীর্ঘক্ষণ গাড়িচালকদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির থানার মোরগ্রাম এলাকা।

জানা গিয়েছে, সাগরদিঘি থানার মোরগ্রাম এলাকা দিয়ে বীরভূম থেকে প্রতিদিন চলে কয়েক লক্ষ পণ্যবাহী গাড়ি। এই সমস্ত গাড়িতে আনা-নেওয়া করা হয় বাড়ি তৈরির জন্য ইট বালি সিমেন্ট এর মত ইমারত তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল। এছাড়াও আলু পটলের মত সবজি।
কিন্তু গাড়ি চালকদের অভিযোগ, তোলাবাজি যেন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের গাড়ি আটকে অবৈধভাবে এই তোলা আদায় হয় কখনও সাগরদিঘি থানা, আবার কখনও স্থানীয় গুন্ডাবাহিনী বাহিনীর নেতৃত্বে। গাড়ি চালকরা জানাচ্ছেন, এদিনও মূলত মস্তানরাই টাকা আদায় করছিল। এরজন্য বিশেষ একটি কার্ডেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছে তারা। আর এই সমস্ত গাড়ি থেকেই প্রতিদিন লক্ষ-কোটি টাকা অবৈধভাবে তোলা হয়।
অভিযোগ, কখনও দুইহাজার আবার কখনও তারও বেশি অঙ্কের টাকা দিতে হত গাড়ি চালকদের। আর এরফলেই পুঞ্জিভূত ক্ষোভ জন্মাতে শুরু গাড়ি চালাক সহ গাড়ি মালিকদের মনে। আর এই ঘটনারই বহি:প্রকাশ ঘটে শনিবার। এদিন একটি চারচাকার গাড়ি সহ বেশ কয়েকটি মোটর বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরফলে সাগদিঘির মোড়্গ্রাম এলাকায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
জোরপূর্বক ভাবে গাড়ি চালকদের কাছে থেকে টাকা আদায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়ল গাড়ি চালক সহ গাড়ির মালিকরা। তাদেরই গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান তারা। ঘটনায় রণক্ষেত্রের আকার নেয়। পরে সাগরদিঘি থানার পুলিশ সেখানে যায়। কিচ্ছুক্ষণ বাদে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ জানিয়েছে ।












Click it and Unblock the Notifications